
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। সমন্বিতভাবে চলবে মশক নিধন কার্যক্রম। এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা ও সচেতনতা বৃদ্ধি।
জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তৃতায় যশোর জেলা প্রশাসক এ কথা বলেন। রোববার কালেক্টরেট সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কার্যবিবরণী পাঠ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার।
সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রমের আওতায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পরিত্যক্ত পাত্র অপসারণ, নিয়মিত মশক নিধনের ওষুধ ছিটানো এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতি শনিবার জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে। উৎস নির্মূলে ঘরবাড়ি ও আশেপাশে জমে থাকা পানি, ফুলদানি, টায়ার, অব্যবহৃত পাত্র পরিষ্কার ও ধ্বংস করতে হবে। মশার লার্ভা ধ্বংসে লার্ভিসাইডিং এবং উড়ন্ত মশা মারতে ফগিং বা ফগার মেশিনের ব্যবহার করে ওষুধ ছিটানো হবে। পৌরসভা, স্কাউট, এবং স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশাবাহিত রোগী শনাক্ত হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রফিকুল হাসান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকতা এস এম শাহীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার, সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ, যশোর ২৫০ শয্য বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন শাফায়ত, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকতাগণ।
মন্তব্য করুন