মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

যশোরের সেই আলোচিত মাহমুদার বিরুদ্ধে মামলা

কাগজ সংবাদ
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম
যশোরের সেই আলোচিত মাহমুদার বিরুদ্ধে মামলা

স্বল্প সুদের লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া সেই মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যশোর সদর উপজেলার বারীনগর বানিয়ালি গ্রামের ইউসুফ আলী বিশ্বাসের ছেলে আব্দুস সোবহান শনিবার রাতে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। আসামি মাহমুদা খাতুন সদর উপজেলার বসুন্দিয়া মোড় এলাকার মৃত ডাক্তার মনসুর আলীর মেয়ে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি মাহমুদা খাতুন যশোরের ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সেই সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনি সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড নামক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে ঢাকায় চলে যান। তিনি তাকে সহ বিভিন্ন লোকজনকে তার প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অঙ্কের লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, লোনের বিপরীতে শতকরা ২ ভাগ হারে লভ্যাংশ দিতে হবে এবং ১০/১২ বছর পর লোন পরিশোধ হবে।

তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে তিনি বিভিন্ন লোকজনকে বিষয়টি জানান। এরপর ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত যশোর শহরের চৌরাস্তার রিচম্যান শোরুমে বসে ৩২ জনের কাছ থেকে ৭০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন মাহমুদা। ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। প্রত্যেকের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং তিন-চারটি করে ফাঁকা চেক নেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার এক মাসের মধ্যে লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

কিন্তু টাকা নেওয়ার পর তিনি আর লোন দিতে পারেননি। তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি কারও ফোন রিসিভ করেন না এবং নানা তালবাহানা করেন। যশোরেও তার দেখা মেলে না।

৭ মার্চ সকালে যশোর শহরের দড়াটানায় ‘খেলাঘর’ নামক একটি দোকানের সামনে তাকে পেয়ে ৭০ লাখ টাকা ফেরত চাওয়া হয়। কিন্তু মাহমুদা টাকা দেবেন না বলে জানান। তার যশোরে আগমনের সংবাদটি ওই ৩২ জন ছাড়াও আরও অনেকে জানতে পারে। পরে দেখা যায়, শত শত মানুষের কাছ থেকে তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

ঘটনাটি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে তার ছেলে তন্ময় জামানসহ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। শত শত ভুক্তভোগী থানায় এসে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন। টাকা উদ্ধার করতে না পেরে আব্দুস সোবহান থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। শনিবার রাতে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলমকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হাজারের বেশি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও তারুণ্য ধরে রাখবে কাঁকরোল

মণিরামপুরে ইমামুল হত্যাকাণ্ডে আটক হুসাইনের স্বীকারোক্তি

ঋণের প্রলোভনে টাকা আত্মসাত, মাহমুদাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

পাওনা টাকা চাওয়ায় ভাতিজার মারধরে বৃদ্ধ নিহত

সেবা নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা সাধারণ মানুষের

মণিরামপুর পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

এস আলমের প্রভাবমুক্ত ইসলামী ব্যাংকের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

কেশবপুরে ভূমি সহকারীর বাড়িতে অজ্ঞান পার্টির হানা

একনেক সভায় ১০ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

জামায়াতের ৮.৩৯ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব

পুরুষ বন্ধুদের কাছ থেকে উপহার পেতে আনুশকার অস্বস্তি!

মণিরামপুরে নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক-১

তথ্য উপদেষ্টা / স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

X