
যশোরসহ বিভিন্ন জায়গায় শুক্রবার দুপুরে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা। শুক্রবার বেলা ১টা ৫৩ মিনিটের দিকে ভূমকম্পন অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪।
ইউরোপিয়ান মেডিটারিনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ১টা ৫২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে বাংলাদেশের খুলনা থেকে ৪৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। এর গভীরতা ছিল ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বসিরহাট মহকুমার শহর তাকি থেকে ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার। উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৩।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বার্তায় বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশেই, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। বেলা ১টা ৫২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল আগারগাঁও ভূমিকম্প পরিমাপ কেন্দ্র থেকে ১৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার জানান, পরপর দুই দফা এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা বলে তিনিও জানিয়েছেন।
আনন্দবাজার অনলাইনের খবর বলছে, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫।
মন্তব্য করুন