
স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় বাঁধা দেয়ায় শাশুড়িকে চাকু দিয়ে গলাই আঘাত করে রক্তাক্ত জখমের অভিযোগে জামায় অমিত হাসানের (২৫) বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। অমিত রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বরকতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে অমিত হাসানকে। তার শ্বশুর যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি ব্রাক অফিসের সামনের সাইদুল ইসলাম মামলাটি করেছেন।এজাহারে সাইদুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, ৭/৮ মাস আগে তার মেয়ের সাথে অমিতের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদির পর থেকে তার মেয়েকে নানা ভাবে নির্যাতন চালাতে থাকে। তার মেয়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ১০/১২ দিন আগে অমিতকে ডিভোর্স দেয়। ডিভোর্সের পর থেকে অমিত প্রায় সময় তার মেয়ে ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে আসছিলো। গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টারদিকে তার স্ত্রী রাবেয়া উত্তর পাড়ার একটি মুদি দোকানে যায়। সেখানে আগে থেকে ছিল অমিত। তার স্ত্রীকে দেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তাকে গালি দিতে নিষেধ করায় আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্ত্রীকে মারপিট করে। পড়নের কাপড় টেনে শ্লীলতাহানী ঘটায়। পরে একটি চাকু দিয়ে গলাই আঘাত করে হত্যার জন্য। এ সময় আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে অমিতকে আটক করে এবং তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
তবে, যশোরের সাজিয়ালি পুলিশ ক্যাম্পের এসআই আব্দুর রউফ জানান, যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ব্রাক অফিসের সামনের সাইদুল ইসলামের মেয়ে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে বাড়ি থেকে পালিয়ে অমিতের সাথে বিয়ে করে। তিনমাস আগে মেয়েকে রাজশাহী থেকে বুঝিয়ে পরিবারের লোকজন বাড়িতে নিয়ে আসে। আর যেতে দেয়নি। অমিত তার স্ত্রীকে নিতে চুড়ামনকাটি তার শ্বশুর বাড়ি যান। কিন্তু তার শাশুড়ি তার মেয়েকে দিতে রাজি হয় না। এই নিয়ে জমায়ের সাথে শাশুড়ি রাবেয়া খাতুনের বাকবিতন্ডায় বাঁধে। এক পর্যায়ে অমিত একটি চাকু দিয়ে তার শাশুড়ি রাবেয়ার গলাই আঘাত করে।
মন্তব্য করুন