
যশোর শহরের ঘোপ বউবাজার এলাকায় ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর বিশেষ অভিযানে আটজন যুবককে আটক করা হয়েছে।
তবে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা তাদের আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। অভিযানের পর থেকে এলাকাজুড়ে চরম চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকেই সাদা পোষাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘোরাঘুরি করতে থাকে। বিকেলে ঢাকার ডিবি ও যশোর পুলিশের একাধিক টিম যৌথভাবে ঘোপ বউবাজার এলাকার একটি তিনতলা ভবনে অভিযান চালায়।
ভবনটি ঢাকা প্রবাসী নাজিম উদ্দিনের মালিকানাধীন। হঠাৎ করে একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের কেয়ারটেকার কেদু জানান, ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে পুলিশ দীর্ঘ সময় অভিযান চালায়।
অভিযানের একপর্যায়ে ওই ফ্ল্যাট থেকে আটজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তারা কী অপরাধে জড়িত, সে বিষয়ে তাকে কিছু জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে ভবন মালিক ঢাকার বাসিন্দা নাজিম উদ্দিন মোবাইল ফোনে বলেন, প্রায় ছয় মাস আগে ওই আটজন যুবক তার ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেন। তারা নিজেদের ফ্রিল্যান্সার পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে তিনি ভাড়াটিয়াদের কারও নাম বা পরিচয় জানেন না বলে মন্তব্য করেন।
কোতোয়ালি থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী বাবুল বলেন, ডিবির হেডকোয়ার্টার থেকে একটি স্পেশাল টিম যশোরে অভিযানে আসে। এ সময় কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে। পরে ওই ভবন থেকে তাদেরকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কেন তাদের আটক করা হয়েছে—সে বিষয়ে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। এটি একটি স্পেশাল অভিযান ছিল।
এ ঘটনায় এলাকায় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আটকদের পরিচয় ও অভিযানের উদ্দেশ্য নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। একই সাথে ভবন মালিকের নাম পরিচয় না জানার বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
মন্তব্য করুন