
যশোরে ৩২ জন শিল্পী ও আবৃত্তিশিল্পীকে বিদেশে অনুষ্ঠানে পাঠানোর নামে ভিসার জন্য টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলা করেছেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী বেজপাড়ার স্মৃতিকণা লাল। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে ২০২৬ সালের ২০ তারিখে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই যশোরকে নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলেন, যশোর কেশবপুরের বিলাস কুমার বিশ্বাস (৩৬), চাঁদপুর হাজীগঞ্জের রূপক চন্দ্র রায় (৩৭), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ফারুক গাজী (৪৫)। মামলার বিবরণে জানা গেছে, স্মৃতিকণা তার পরিচিত শিল্পী সাগরিকা সাহা তাকে আসামিদের সঙ্গে পরিচয় করান। তারা বিভিন্ন দল গঠন করে শিল্পীদের বিদেশে পাঠিয়ে অনুষ্ঠান করানোর প্রস্তাব দেন। এতে শিল্পী, আবৃত্তিশিল্পী, নৃত্যশিল্পী ও যন্ত্রিকাররা অন্তর্ভুক্ত হবেন। পরে স্মৃতিকণা লাল যশোর, ঢাকা ও চট্টগ্রামের ৪৩ জন শিল্পীর তালিকা পাঠান। আসামিরা সেই তালিকার মধ্যে ৩২ জনকে মনোনীত করেন। এর মধ্যে যশোরের মৌরাণী বসু, বৈদ্যনাথ অধিকারী, রাধে শ্যাম পাল, সুমন আচার্য, শাহরিন সুলতানা নিশি, উপমা রানী সাহা, কাজী শাহেদ নেওয়াজ, অতনু অধিকারী, প্রসেনজিৎ ব্যানার্জি, সুকুমার আইচ, মিতা আক্তার, নামিরা নেওয়ার ওয়ারিদ্র, রাফিয়াত নাসির কথা, জান্নাতুল নাইমা সোনিয়া, দিপু মন্ডল, প্রদীপ কুমার সরকার, ঢাকার সোমা দাস, তিথি দে, জন সুমিত, দেউলী দুলাল, সাজু দেব, সাইফুল ইসলাম সাকি, রিমা চট্টগ্রামের অর্ণব আচার্য, ঋতু বড়ুয়া, শুভাশিস দত্ত তন্ময়, দেবাশীষ চৌধুরী, সৃজন রায়সহ অন্যান্যরা আছেন। পাসপোর্টের জন্য ৩২ জন শিল্পী তাদের কাগজপত্র হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমো নাম্বারে পাঠান। এরপর ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য তিন লাখ ৭৯ হাজার ৯০০ টাকা আসামি রূপক চন্দ্র রায়ের ব্যাংক এশিয়ার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। কিছুদিন পর আসামিরা যোগাযোগ বন্ধ করেন এবং শিল্পীদের বিদেশে পাঠানোর কথা অস্বীকার করেন। বাধ্য হয়ে এ মামলা করেন স্মৃতিকণা লাল।
মন্তব্য করুন