
যশোরের ৩৬ গ্রাহকের পলিসি বিমার ২৭ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মণিরামপুর আমলী আদালতে মামলা হয়েছে। ৩৬ জন গ্রাহকের পক্ষে মামলাটি করেছেন মণিরামপুর উপজেলার গোবিন্দপুর খানপুর গ্রামের মো. ইমান উদ্দীনের ছেলে শফি উদ্দীন।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন অভিযোগের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন। আসামিরা হলেন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম, এমডি মো. কামরুল হাসান, সিএফও মো. সামসুদ্দিন এবং রিজিওনাল ইনচার্জ হামিদুর রহমান আজাদ।
মামলায় মো. শফি উদ্দীন উল্লেখ করেছেন, আসামিদের উৎসাহ প্রদানের কারণে তিনিসহ ৩৬ জন গ্রাহক ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে ৬ থেকে ১০ বছর মেয়াদি পলিসি বীমা করেন। বীমার মেয়াদ শেষে তাদের ৩৬ জনের পাওনা হয় ২৭ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬ টাকা। এ কারণে শফি উদ্দীনসহ গ্রাহকেরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওই ইন্স্যুরেন্সের মণিরামপুর অফিসে জমা দেন। সেখানে বলা হয়, প্রত্যেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কেউই তাদের পাওনা টাকা পাননি।
এ পরিস্থিতিতে আসামিদের প্রতি লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হলে তারা তা গ্রহণ করেন। কিন্তু এরপরও টাকা পরিশোধ করা হয়নি। সর্বশেষ ২৯ নভেম্বর সকালে আসামিরা মণিরামপুর অফিসে এলে গ্রাহকেরা তাদের কাছে পাওনা টাকা দাবি করেন। কিন্তু তারা সাফ জানিয়ে দেন যে টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শফি উদ্দীনসহ অন্যরা।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে এ প্রতিষ্ঠানের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক তিনটি মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।
মন্তব্য করুন