
যশোর সদর উপজেলার মধুগ্রামে পাঁচটি বিদেশি পিস্তল, ১০ টি ম্যাগজিন, ৫০ রাউন্ড গুলি ও সাড়ে চার কেজি গাঁজার চালাসহ আটক লিটন গাজী সহযোগী জালাল উদ্দিন মামুন ওরফে ইন্দুর মামুকে আটক করেছে পুলিশ। সে নেপথ্যে কারিগরদের অন্যতম প্রধান একজন। ইন্দুর মামুন সদর উপজেলার সুজালপুর হঠাৎ পাড়ার মৃত মোদাচ্ছের হাওলাদার ওরফে মোতাচ্ছিন হাওলাদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে নয়টি মামলা চলমান রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই বাবলা দাস জানিয়েছেন, এর আগে গত ৩০ নভেম্বর গোপন সংবাদে অস্ত্র ও মাদকের চালানসহ মধুগ্রামের লিটন গাজীকে (৩৮) আটক করা হয়। ইন্দুর মামুন ও লিটন গাজী একই গ্রুপের। লিটন গাজীর কাজ ছিলো ওই অস্ত্রের চালান কক্সবাজারে পৌঁছে দেয়া। এর বিনিময়ে সে ৭০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পাবে। লিটন গাজী পুলিশের কাছে অস্ত্রের এই চালানের সাথে জড়িত অনেকের নাম জানায়। সে আদালতে বিচারকের সামনে জবানবন্দীও দেন। ওই জবানবন্দীতে বেশ কয়েকজনের নাম বলেন তিনি। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের উৎস, গন্তব্যসহ মধ্যস্থতাকারী ও অর্থ বিনিয়োগকারীদের একজন হলেন জালাল উদ্দিন মামুন ওরফে ইন্দুর মামুন। লিটন গাজীর কাছ থেকে তথ্য পেয়ে পুলিশ ইন্দুর মামুনকে খোঁজার চেষ্টা করেন। এরর গত ৩ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে গোপন সূত্রের সংবাদ পেয়ে সুজলপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ইন্দুর মামুনকে আটক করা হয়।
এসআই বাবলা দাস জানিয়েছেন, যে রাতে মধুগ্রামে অস্ত্র গুলি ম্যাগাজিন ও গাঁজাসহ লিটন গাজীকে আটক করা হয় সে রাতেই এই চালানের আরেক অর্থ বিনিয়োগকারী যশোর শহরের পুরাতন কসবা লিচুতলা এলাকার কালা তপন যশোর ছেড়ে পালিয়ে যায়। তবে তাকে আটকের জন্য পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারসহ নানা কৌশল অবলম্বন করছে। আটক মামুন ওরফে ইন্দুর মামুনকে ৪ ডিসেম্বর বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন