
চুয়াডাঙ্গায় টানা তিনদিন ধরে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় চুয়াডাঙ্গা জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৪ শতাংশ, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
উত্তরের হিমেল বাতাসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বহুগুণে বেড়েছে। সন্ধ্যার পর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। বেলা বাড়লেও সূর্যের দেখা মিলছে ম্লানভাবে, যা পর্যাপ্ত উষ্ণতা দিতে পারছে না। ফলে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না মানুষ, মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
তীব্র শীতের প্রভাব পড়েছে কৃষিখাতেও। বিশেষ করে ধানের বীজতলা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এদিকে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীর চাপ বাড়ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, আপাতত জেলার আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েকদিন এই শীতের প্রকোপ অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন