মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত, তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রিতে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৯ এএম
চুয়াডাঙ্গায় বাড়ছে শীতের তীব্রতা  ¦ ছবি: সংগৃহীত

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় শীত ধীরে ধীরে জেঁকে বসেছে। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশায় পুরো অঞ্চল ঢাকা পড়ছে, আর হিমেল বাতাসে তৈরি হচ্ছে শীতের তীব্র আমেজ। কয়েক দিন ধরে সকাল ও সন্ধ্যায় তাপমাত্রার স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সব বয়সী মানুষকে শীত নিবারণে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২.৮°C। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬%। আগামীকাল থেকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান।

তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে। ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমবে। শৈত্যপ্রবাহেরও আশঙ্কা আছে।

এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা এই সময়টিতে বেশি কষ্টে পড়ছেন। ভোরে রাস্তায় বের হলেই হিমেল বাতাসে অস্বস্তি লাগছে। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর সবার মুখেই একই কথা শীত পড়ছে।

ষাটোর্ধ্ব রিকশাচালক শামসুল হক বলেন, এই বয়সে রিকশা চালানো ভাগ্যের ব্যাপার। একদিকে শীত, অন্যদিকে অসুস্থতা। একদিন রিকশা নিয়ে বের না হলে না খেয়ে থাকতে হবে। আবার প্রতিদিন গড়ে ২৫০-৩০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়। এই তীব্র শীতে লোকজন কম বের হন, ফলে ভাড়াও কমছে।

ভ্যানচালক আলম হোসেন জানান, বয়স হচ্ছে, ঠান্ডা ঠিকমতো সহ্য হয় না। তবুও বের হতেই হয়। সংসার তো আর থেমে থাকে না।

দিনমজুর ছালাম মিয়া বলেন, সকালে এখন কেউ কাজে ডাকে না। শীতে মাঠে লোক দেরিতে যায়, তাই আমাদেরও বসে থাকতে হয়। এতে সারা দিনের আয় কমে যায়।

অন্যদিকে, শীতের শুরুতে হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় গত সপ্তাহের তুলনায় শিশুদের ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের রোগী বেড়েছে। বিশেষ করে রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

এদিকে শীত নামতেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন মৌসুমি খেজুরগাছিরা। গ্রামাঞ্চলে এখন খেজুর গাছে নল বসানোর কাজ চলছে।

গাছি সাদ্দাম হোসেন বলেন, খেজুর গাছে নল বসানো শুরু করেছি। ইতিমধ্যে রস ওঠা শুরু হয়েছে। খেজুর গুড় ও পাটালি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছি। বিক্রিও ভালো হচ্ছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

কালীগঞ্জে সর্বত্র মাদকের রমরমা ব্যবসা / হুমকির মুখে যুবসমাজ, আতঙ্কে অভিভাবকরা

২০২৬-২৭ বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

দেশের ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, ২ মাসের কারাদণ্ড

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে!

X