সোমবার
২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত, তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রিতে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৯ এএম
চুয়াডাঙ্গায় বাড়ছে শীতের তীব্রতা  ¦ ছবি: সংগৃহীত

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় শীত ধীরে ধীরে জেঁকে বসেছে। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশায় পুরো অঞ্চল ঢাকা পড়ছে, আর হিমেল বাতাসে তৈরি হচ্ছে শীতের তীব্র আমেজ। কয়েক দিন ধরে সকাল ও সন্ধ্যায় তাপমাত্রার স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সব বয়সী মানুষকে শীত নিবারণে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২.৮°C। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬%। আগামীকাল থেকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান।

তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে। ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমবে। শৈত্যপ্রবাহেরও আশঙ্কা আছে।

এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা এই সময়টিতে বেশি কষ্টে পড়ছেন। ভোরে রাস্তায় বের হলেই হিমেল বাতাসে অস্বস্তি লাগছে। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর সবার মুখেই একই কথা শীত পড়ছে।

ষাটোর্ধ্ব রিকশাচালক শামসুল হক বলেন, এই বয়সে রিকশা চালানো ভাগ্যের ব্যাপার। একদিকে শীত, অন্যদিকে অসুস্থতা। একদিন রিকশা নিয়ে বের না হলে না খেয়ে থাকতে হবে। আবার প্রতিদিন গড়ে ২৫০-৩০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়। এই তীব্র শীতে লোকজন কম বের হন, ফলে ভাড়াও কমছে।

ভ্যানচালক আলম হোসেন জানান, বয়স হচ্ছে, ঠান্ডা ঠিকমতো সহ্য হয় না। তবুও বের হতেই হয়। সংসার তো আর থেমে থাকে না।

দিনমজুর ছালাম মিয়া বলেন, সকালে এখন কেউ কাজে ডাকে না। শীতে মাঠে লোক দেরিতে যায়, তাই আমাদেরও বসে থাকতে হয়। এতে সারা দিনের আয় কমে যায়।

অন্যদিকে, শীতের শুরুতে হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় গত সপ্তাহের তুলনায় শিশুদের ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের রোগী বেড়েছে। বিশেষ করে রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

এদিকে শীত নামতেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন মৌসুমি খেজুরগাছিরা। গ্রামাঞ্চলে এখন খেজুর গাছে নল বসানোর কাজ চলছে।

গাছি সাদ্দাম হোসেন বলেন, খেজুর গাছে নল বসানো শুরু করেছি। ইতিমধ্যে রস ওঠা শুরু হয়েছে। খেজুর গুড় ও পাটালি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছি। বিক্রিও ভালো হচ্ছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানে বড় হামলা চালাতে ইসরায়েলে রিফুয়েলিং বিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নুসরাত ফারিয়ার নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘লাপাত্তা’

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রথমার্ধ! গোলশূন্য বিরতিতে আর্জেন্টিনা ও স্পেন

ইসরায়েলি সংসদে বিক্ষোভের মুখে কক্ষ ছাড়লেন নেতানিয়াহু

মাঝমাঠের তীব্র লড়াইয়ে ম্যাচ এখনো গোলশূন্য

বিশ্বজয়ের চূড়ান্ত লড়াই, স্পেনের আক্রমণের সামনে দেয়াল তুলছে আর্জেন্টিনা

কলা ছাড়াও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ যেসব ফল ও সবজি খাবেন

যশোর সীমান্ত পরিবহন বাস মালিক সমিতি  আজিমুল সভাপতি ও রানা সাধারণ সম্পাদক মনোনীত

তৌহিদী জনতার বাধায় যশোর ঈদগাহ মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ দেখানো বন্ধ

নড়াইলে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে রাজমিস্ত্রিকে হত্যা

বাংলাদেশের আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী

অভয়নগরে চাঁদার দাবিতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর মারপিট, আটক ৪ 

মোংলায় আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত কার্যক্রম’ প্রতিহতের ঘোষণা বিএনপির

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক ঐক্যের ডাক দিলেন নিপুণ রায় চৌধুরী

নড়াইলে প্রধান শিক্ষককে ছুরিকাঘাত, অফিস সহকারী পলাতক

আর্জেন্টিনা জিতলে বিয়ে? যা বললেন পরীমণি

রুদ্ধশ্বাস জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

জ্বরের মৌসুমে যা খাওয়া দরকার

যশোর মেডিকেল কলেজে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

যশোরে প্রজাপতি স্কুলের শিক্ষার্থীদের  বৃক্ষ রোপন ও বিতরণ 

X