মঙ্গলবার
৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত, তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রিতে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৯ এএম
চুয়াডাঙ্গায় বাড়ছে শীতের তীব্রতা  ¦ ছবি: সংগৃহীত

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় শীত ধীরে ধীরে জেঁকে বসেছে। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশায় পুরো অঞ্চল ঢাকা পড়ছে, আর হিমেল বাতাসে তৈরি হচ্ছে শীতের তীব্র আমেজ। কয়েক দিন ধরে সকাল ও সন্ধ্যায় তাপমাত্রার স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সব বয়সী মানুষকে শীত নিবারণে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২.৮°C। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬%। আগামীকাল থেকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান।

তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে। ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমবে। শৈত্যপ্রবাহেরও আশঙ্কা আছে।

এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা এই সময়টিতে বেশি কষ্টে পড়ছেন। ভোরে রাস্তায় বের হলেই হিমেল বাতাসে অস্বস্তি লাগছে। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর সবার মুখেই একই কথা শীত পড়ছে।

ষাটোর্ধ্ব রিকশাচালক শামসুল হক বলেন, এই বয়সে রিকশা চালানো ভাগ্যের ব্যাপার। একদিকে শীত, অন্যদিকে অসুস্থতা। একদিন রিকশা নিয়ে বের না হলে না খেয়ে থাকতে হবে। আবার প্রতিদিন গড়ে ২৫০-৩০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়। এই তীব্র শীতে লোকজন কম বের হন, ফলে ভাড়াও কমছে।

ভ্যানচালক আলম হোসেন জানান, বয়স হচ্ছে, ঠান্ডা ঠিকমতো সহ্য হয় না। তবুও বের হতেই হয়। সংসার তো আর থেমে থাকে না।

দিনমজুর ছালাম মিয়া বলেন, সকালে এখন কেউ কাজে ডাকে না। শীতে মাঠে লোক দেরিতে যায়, তাই আমাদেরও বসে থাকতে হয়। এতে সারা দিনের আয় কমে যায়।

অন্যদিকে, শীতের শুরুতে হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় গত সপ্তাহের তুলনায় শিশুদের ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের রোগী বেড়েছে। বিশেষ করে রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

এদিকে শীত নামতেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন মৌসুমি খেজুরগাছিরা। গ্রামাঞ্চলে এখন খেজুর গাছে নল বসানোর কাজ চলছে।

গাছি সাদ্দাম হোসেন বলেন, খেজুর গাছে নল বসানো শুরু করেছি। ইতিমধ্যে রস ওঠা শুরু হয়েছে। খেজুর গুড় ও পাটালি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছি। বিক্রিও ভালো হচ্ছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কাসেমিরোর গোলে স্বস্তি, জাপানের বিপক্ষে সমতায় ফিরল ব্রাজিল

সেলেসাওদের স্তব্ধ করে জাপানের গোল, শুরুতেই পিছিয়ে পড়ল ব্রাজিল

যশোরে জাতীয় পার্টির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত 

শার্শার বসতপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য

ইনুর মামলার রায় কাল, সরাসরি দেখবে দেশবাসী

ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

নেইমারকে ছাড়াই জাপানের বিপক্ষে নামছে ব্রাজিল

মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

অর্থ বিল পাস, যেসব পরিবর্তন এলো 

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

যশোরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

যশোরে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা

যশোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার  

যশোরে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত

মহেশপুরে গাজীরননেছা বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

মোরেলগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নারিকেল চারা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

শৈলকুপায় পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই কিশোরের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ৫৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

মণিরামপুরে সেতুর কাজ থমকে, দুর্ভোগে ২০ গ্রাম

আগামী ইউপি নির্বাচন ঘিরে মণিরামপুরে বিএনপির ঐক্যের শপথ

X