
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেছেন, তার দল নির্বাচন চাইলেও নির্বাচনের নামে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র প্রত্যাশা করেনি। তার অভিযোগ, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং এতে অন্তর্বর্তী সরকারও সম্পৃক্ত ছিল।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীতে ‘গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব দাবি করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নিরপেক্ষ পরিচয়ে দায়িত্ব পালনকারী অন্তর্বর্তী সরকারও এই ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছিল। তার দাবি, সংশ্লিষ্টরাই স্বীকার করেছে যে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১১ দলকে নির্বাচনে পরাজিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও দেশের স্থিতিশীলতা ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়ানোর স্বার্থে ১১ দল ফলাফল মেনে নিয়েছে। তবে একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, গণভোটের রায় কোনোভাবেই উপেক্ষা করতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১০ থেকে ১১ বার আমার কাছে ফরমাল প্রপোজাল এসেছে যে, আসেন আমরা সংস্কার করার জন্য, সংবিধান সংশোধনের জন্য একটা সংশোধন কমিশন করি। আমাদের পরিষ্কার জবাব—সংশোধনের জন্য কোনো কমিশন লাগে না।
সংশোধনের জন্য সরকারি দল ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে বিল আনতে পারে। বিরোধী দলও আনতে পারে। সেই বিল আসবে, বেটিং এ যাবে। আবার ফিরে আসবে। তারপরে আলোচনা হবে। আলোচনার পর ভোটে যাবে। ভোটে যদি এটা গ্রহণযোগ্য হয়—তাইলে পাস হয়ে যাবে। এটার জন্য কোনো কমিশন লাগে না।
এখানে সংশোধনী কমিশন করার জন্য গণভোট হয় নাই। গণভোট হয়েছে—দেশের পচা রাজনীতির আমূল পরিবর্তন সাধনের জন্য।
মন্তব্য করুন