
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোট আজ (২০ জানুয়ারি) চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে। এ বছর এই জোটের অধীনে জামায়াত ২২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। এছাড়া তিনটি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যেখানে জোটের একাধিক শরিক দল প্রার্থী দেবে। বাকি আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে জোটের অন্যান্য দল।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় অনুযায়ী, আজ বিকেলে জোটের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। এছাড়া ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলনের জন্য রাখা হয়েছিল। বাকি আসনগুলো এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, বিডিপি ও নেজামে ইসলাম পার্টি মধ্যে ভাগ করা হয়েছিল। তবে ইসলামী আন্দোলনের জোট ত্যাগের পর এসব আসন পুনর্বণ্টন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সমঝোতা অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী ২২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাকি আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে জোটের অন্যান্য দল। তিনটি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস এবং এবি পার্টি প্রার্থী দেবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আটটি ইসলামি দল আলাদাভাবে নির্বাচন ও গণভোটের দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নেমেছিল। পরে তারা একসঙ্গে জোট গঠন করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একপর্যায়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) তিনটি দলও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়।
আসন ভাগাভাগি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। সমঝোতা না হওয়ায় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এতে জামায়াতের আসন ছিল ১৭৯টি। বাকি আসনগুলো এনসিপি ৩০টি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি।
ইসলামী আন্দোলন জোট ত্যাগ করার পর ওই আসনগুলো ১০ দলের মধ্যে পুনর্বণ্টন করা হয়। আজ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে এই সমাপ্তি ঘোষণা হবে।
মন্তব্য করুন