
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আসনে বিকল্প প্রার্থী থাকায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১৭ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সে অনুযায়ী তিনি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে দলীয় মনোনয়ন পান। ফেনী-১, দিনাজপুর-৩ এবং বগুড়া-৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে তাঁর মনোনয়নপত্রও জমা দেওয়া হয়েছিল।
তবে গুরুতর অসুস্থতার কারণে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি তিনি। পরবর্তীতে তিনি ইন্তেকাল করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আগেই তিনটি আসনেই বিকল্প প্রার্থী প্রস্তুত রেখেছিল বিএনপি। এর অংশ হিসেবে ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র জমা দেন ওই আসনের নির্বাচন সমন্বয়ক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম (মজনু)। খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে না পারলে তিনি দলীয় প্রার্থী হতে পারেন।
অন্যদিকে বগুড়া-৭ (গাবতলী) আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে রাখা হয়েছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমকে। পাশাপাশি দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে সাবেক পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে।
মন্তব্য করুন