
ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নতুন বছরের বার্তায় তিনি প্রতিহিংসা, বিদ্বেষ ও ধ্বংসের রাজনীতি পরিহার করে ভালোবাসা, শান্তি ও সৌহার্দ্যের সমাজ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তারেক রহমান বলেন, ধ্বংস নয়, প্রতিশোধ নয়; আসুন আমরা ভালোবাসা, পরমতসহিষ্ণুতা, শান্তি ও সৌহার্দ্যের সমাজ গড়ি। এভাবেই নির্মিত হবে মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।
নববর্ষ উপলক্ষে তিনি দেশ-বিদেশের সকলের জন্য অমিত আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। তিনি বলেন, ১ জানুয়ারি এখন একটি আন্তর্জাতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। নববর্ষ কেবল একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও চেতনার প্রতিফলন। গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং প্রিয়জন হারানোর বেদনা আমাদের ব্যথিত করেছে, তবে অর্জিত সাফল্য ও অভিজ্ঞতা নতুন বছরের জন্য নতুন বার্তা হয়ে দাঁড়ায়।
গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের অঙ্গীকারে তারেক রহমান বলেছেন, আজ আমাদের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং সমগ্র গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো।
তিনি সমালোচনা করে বলেন, পরাজিত গণবিরোধী শক্তি এতদিন জনগণের অধিকার সীমিত করে রেখেছিল। এখন সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কাজ পুনরায় শুরু করতে হবে।
তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে ২০২৬ সাল হবে শান্তি ও সমৃদ্ধির বছর, এবং এটি অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি জাতি গড়ার স্বপ্ন দেখি যেখানে প্রতিটি নাগরিক গুরুত্বপূর্ণ, এবং প্রত্যেকের কণ্ঠ থাকবে স্বাধীন। চিরদিনের জন্য দূর হোক সব অন্যায়, নির্যাতন ও উৎপীড়ন।”
তিনি দেশের সকলকে আহ্বান জানান, সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধা অতিক্রম করে সংগ্রামমুখর জীবনের ঐতিহ্য ধরে জাতিকে অগ্রসর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য।
মন্তব্য করুন