
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচনের ট্রেনের চাকা কার্যকরভাবে সচল হলো।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপিকে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে দলের বর্তমান শীর্ষ নেতা তারেক রহমান এখনও দেশে ফেরেননি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমান ভোটার বা প্রার্থী হতে পারবে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহ ছিল।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, সংবিধান এবং ভোটার তালিকা আইনে যে যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত আছে, সেগুলো লঙ্ঘন না হলে তারেক রহমানের ভোটার বা প্রার্থী হওয়ার কোনো বাধা নেই।
তারেক রহমান যদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান, তাকে অবশ্যই ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ভোটার হতে হবে এবং একই সঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, তফশিল ঘোষণার পরও আইন অনুযায়ী যে কোনো যোগ্য নাগরিককে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব। তারেক রহমান লন্ডন থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ভোটার হতে পারেন। বিদেশে বসেই তার ভোটার হওয়ার কোনো বাধা নেই।
যদি তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ না করে থাকেন, তবুও তিনি ভোটার হতে পারবেন। মনোনয়নপত্র ডাকযোগে পাঠানো বা লন্ডনে প্রতিনিধি মারফত দাখিল করানোও সম্ভব।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইন অনুযায়ী কমিশন চাইলে তফশিল ঘোষণার পরও যে কোনো নাগরিককে ভোটার করা সম্ভব। তাই তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার কোনো বাধা নেই। নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে অবশ্যই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখের মধ্যে ভোটার হতে হবে। বাংলাদেশে যেকোনো এলাকার ভোটার যেকোনো আসনে প্রার্থী হতে পারেন, যদি তিনি যোগ্যতা হারাননি।
মন্তব্য করুন