মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বই মেলা : কিছু কথা, কিছু স্মৃতি

অধ্যাপক মো. মসিউল আযম
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৫ এএম
অধ্যাপক মো. মসিউল আযম

১৯৬৭ সাল। আজ থেকে ৬০ বছর আগের কথা। পাক-ভারত উপমহাদেশে লাইব্রেরী আন্দোলন ও বইমেলা এদেশের ইতিহাসে বিশেষ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কেননা যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরিই সর্ব প্রথমে দেশে বইমেলা পুস্তক প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এই আয়োজনের স্বপ্নদ্রষ্টা, রূপকার ও পথিকৃত ছিলেন শ্রদ্ধেয় স্যার অধ্যাপক মো. শরীফ হোসেন। আর এই বইমেলাকে ঘিরে রয়েছে অমিার অনেক স্মৃতি, অনেক ইতিহাস। এজন্য বিশেষ করে খড়কী থেকে লেখাপড়া শেখা ছিল আমার জন্য আর্শিবাদ। আমার ফুফু বাড়ি ও স্যারে বাসভবন ছিল একেবারে পাশাপাশি। স্যার তখন এম এম কলেজের অধ্যাপক। আমি একদিকে স্যারের ছাত্র অপর দিকে নিকটতম প্রতিবেশীর আত্মীয়, বিভিন্ন সুবাদে স্যারের ছিলাম একজন খুবই স্নেহভাজন। ১৯৬৬-৬৭ সালে প্রায় দু'বছর স্যারের প্রত্যক্ষ তদারকিতে আমি যশোর পাবলিক লাইব্রেরির অসংখ্য বইয়ের একসেসনের কাজ সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমেই করি। পরবর্তীতে ঐ সমস্ত বই মেলায় প্রদর্শন ও বিভিন্ন লাইব্রেরিতে ভ্রাম্যমাণ শাখায় প্রদান করা হয়। আমাকে এ কাজ বিশেষ সহায়তা করতেন তদানীন্তন পাবলিক লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান মরহুম ফজলুল বারী ও অফিস পিয়ন মরহুম আব্দুল করিম। পাবলিক লাইব্রেরির কাজ অর্থাৎ স্যারেরই কাজ, এজন্য এই কাজে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে শ্রম দিতে পেরে নিজেকে আমি ধন্য মনে করতাম। আমার কর্মকান্ডে খুশি হয়ে স্যার আমাকে ঐ সময়ে যশোর পাবলিক লাইব্রেরির সাব-কমিটির মেম্বর করে নেন। ১৯৬৭ সালে যশোর বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের তদানীন্তন পরিচালক সরদার জয়েন উদ্দীনকে। চাঁচড়া ইউনিয়নের ভাতুড়িয়া স্কুল মাঠে বইমেলার উদ্বোধন করেন তিনি। স্যারের নেতৃত্বে আমরা বৃহত্তর যশোর জেলার মহকুমা, থানা শহরে গ্রামগঞ্জের পাঠাগারে বইমেলা আয়োজন করি। সেখানে পাশাপাশি চলত সেমিনার, আলোচনা সভা, প্রদর্শনী ও স্যারের বই নিয়ে লেখা গানের আসর। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গুণীজন ও কন্ঠশিল্পীদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে বইমেলা অনুষ্ঠান হয়ে উঠত খুবই প্রাণবন্ত। এসব কাজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে স্যার সে সময় গড়ে তোলেন লাইব্রেরি আন্দোলনের একটি শক্তিশালী নিবেদিতপ্রাণ কর্মীবাহিনী। এদের মধ্যে ছিলেন সিরাজুল হক বুলবুল, মঈনসহ অনেকে। সকলের নাম এই স্বল্প পরিসরে লেখা সম্ভব নয়। এসব কর্মীবাহিনী বইমেলা ও লাইব্রেরি আন্দোলনে অল্পকালে যথেষ্ট সাড়া জাগিয়েছিল গ্রামগঞ্জে। ফলে সেখানে গড়ে ওঠে ভ্রাম্যমাণ পাঠ কেন্দ্র। স্থানীয় লাইব্রেরি পরিচালনা কমিটির তত্ত্বাবধানে যশোর পাবলিক লাইব্রেরি থেকে তাদের দেওয়া হতো ২৫ অথবা ৫০ খানা বইয়ের এক সেট। এ বইয়ের গুচ্ছ পর্যায়ক্রমে ‘বেড়াতে’ যেত বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠকদের মাঝে। এভাবেই তখনকার দিনে প্রতিষ্ঠা হয় প্রায় ৫২টি পাঠকেন্দ্র ও পাঠাগার। পাঠক সুধী এ ধরনের চিন্তাধারা ইতিপূর্বে আর কারোর মাথায় আসেনি। এই উপমহাদেশে ষাটের দশকে পাঠাগার আন্দোলনের মাধ্যমে গ্রাম গঞ্জে পাঠাগার তৈরি, বই পড়ার অভ্যাস ও পাঠক সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে যশোর পাবলিক লাইব্রেরি। এই বইমেলা ও লাইব্রেরির আন্দোলন নিয়ে একটি মজার ঘটনার কথা উল্লেখ না করে পারছি না। বই মেলায় রওয়ানা হওয়ার পূর্বে আমরা কর্মী বাহিনী যশোর পাবলিক লাইব্রেরিতে সমবেত হই। আমাদের সাথে থাকতো বই পুস্তকের বড় বড় কাঠের বাক্স ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি। তসবীর মহলের সামনে আমরা অপেক্ষা করছি গাড়ির জন্য। আমাদের সাথে থাকা বড় বড় বাক্স ও সাজ সরঞ্জাম দেখে কিছু কৌতুহলী মানুষ সেখানে জড়ো হয়। তাদের ধারণা আমরা কোন যাত্রা দলের লোক। কারণ সে সময় টাউন হল ময়দানে বিভিন্ন সময়ে যাত্রা অপেরা, কবিগান, জারীগান এ সবের উৎসব চলতো বহুদিন ধরে। তাদের মধ্যে থেকে একজন দর্শক আমাদের জিজ্ঞাসা করলেন আপনাদের যাত্রা পার্টি কি নাম? সঙ্গে সঙ্গে তার জবাবে আমাদের একজন কর্মী সিরাজুল হক বুলবুলের সোজা সাপটা উত্তর পুস্তক অপেরা পার্টি। আরেকজন দর্শকের প্রশ্ন আপনাদের আজকের যাত্রা পালার বইয়ের কি নাম? তাৎক্ষণিকভাবে আমি তাকে জানালাম "বইযাত্রা"। সে সময়ে বয়সে ছোট হলেও আমি কিছু খারাপ বা ভুল কিছু বলিনি। কেননা তখনকার দিনে আমরাই ছিলাম, সেই বই যাত্রার এক এক জন সফল, সার্থক অভিনেতা/যশোর পাবলিক লাইব্রেরির ইতিহাসে একটি বড় সংযোজন হচ্ছে প্রাচীন পান্ডুলিপি বিভাগ। এগুলি সংগ্রহের পেছনে যে জীবন্ত ইতিহাস রয়েছে তার উল্লেখ না করে পারছি না। ১৯৬৯ সাল আমি তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। যশোরে বাড়িতে এসেছি। হঠাৎ একদিন আমার কলেজ জীবনের সহপাঠি বন্ধু শংকর আমাকে নিমন্ত্রণ জানালো, তার বিয়েতে যেতে হবে। শংকর বকচর এলাকার বাসিন্দা। বর্তমান চৌধুরী ভিলার বাড়ির মালিক ছিলেন তার বাবা। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম দিকে পাক-হানাদারদের গুলিতে মর্মান্তিকভাবে শহীদ হন শংকর। ১৯৬৯ সালে বরযাত্রী হয়ে বন্ধুদের সাথে বাসে করে পৌঁছালাম ফরিদপুরের কানাইপুর কনের বাড়িতে। খুব ধুমধানের সাথে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের নানা আনুষ্ঠানিকতা ও খাওয়া দাওয়া শেষ করতে গভীর রাত হয়ে যায়। এ জন্য ঐ রাতে আমরা কনের বাড়িতে থেকে যাই। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি গ্রাম ঘুরে দেখার জন্য বেরিয়ে পড়ি। কিছু দূর গিয়ে আমার চোখে পড়ে একটি প্রাচীন বিশাল দোতলা ভবন। আগেকার দিনে কোন জমিদাররা এই অট্টালিকায় বসবাস করতেন। এখন আর তারা নেই। বাড়িতে এক কোণে একটি অংশ জমিদারদের কোন নিকটতম আত্মীয়, পরিবার পরিজন নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে একজন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে জমিদার বাড়ির দোতলায় সিড়ি বেয়ে উঠি। ভেতরে গিয়ে ভয়ে গা ছমছম করতে থাকে। মনে সাহস নিয়ে কিছু দূর এগুতেই দেখি ঘরের বর্গ কাঠে অসংখ্য বাদুর ও চামচিকের আস্তানা। হঠাৎ আমার নজরে আসলো সেই ভাঙ্গা ঘরের এক পাশে প্রাচীন পান্ডুলিপির স্তুপ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র হিসেবে এই প্রাচীন পান্ডুলিপির মূল্য আমি বুঝি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ক্লাসে সিলেবাসে পান্ডুলিপি ছিল ১০০ মার্ক। এ বিষয়টি পড়াতেন আমাদের স্যার অধ্যাপক আব্দুল খালেক। আমি স্যারে কাছে শিখেছিলাম কোথাও পান্ডুলিপি পেলে কিতাবে নিজ আয়ত্বে নিতে হয়, সংগ্রহ করতে হয়। বিয়ের পর্ব শেষ করে যশোরে ফিরে আমি শরীফ স্যারের কাছে, সেই পান্ডুলিপির বিশদ বর্ণনা দিই। স্যার আমাকে দায়িত্ব দেন যে কোন মূল্যে এই পান্ডুলিপি উদ্ধার করে যশোর পাবলিক লাইব্রেরি সম্পদ করতে হবে। অযত্নে অবহেলায় এমন মূল্যবান জিনিস নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। পরবর্তীতে স্যারের আশীর্বাদ নিয়ে ফরিদপুর কানাইপুর জমিদার বাড়ির সেই পান্ডুলিপি উদ্ধার করে যশোরে নিয়ে আসি। এরপর থেকে একে আমি লোহাগড়া রামনারায়ণ পাবলিক লাইব্রেরি ও আমার নিজ এলাকা থেকে বেশ কিছু মূল্যবান প্রাচীন দলিল দস্তাবেজ তালপাতা, তুলট কাগজে লেখা বিভিন্ন চিঠিপত্র উদ্ধার করে যশোর পাবলিক লাইব্রেরিতে জমা দিই। পরবর্তীকালে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির উদ্যোগে যতবার বইমেলা হয়েছে প্রাচীন পান্ডুলিপি বিভাগ প্রদর্শনীর দায়িত্ব আমার উপর বর্তায়। তখন যশোর পাবলিক লাইব্রেরি অফিস পিয়ন মরহুম আব্দুল করিম আমার খুব কাছে থেকে প্রাচীন পান্ডুলিপি বিভাগ প্রদর্শনীতে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে দর্শকদের মন জয় কতে সক্ষম হন। বইমেলা 'প্রদর্শনীর জন্য আমাদের আকর্ষনীয় সরঞ্জাম ছিল কাঠের তৈরী একটি বড় সাইজের বই। বইটি দু'পাশে উপুড় করা অবস্থার মাঝ দিয়ে একটি লেজ বিশিষ্ট পশু অংকিত ছবি (ভল্লুক) হামাগুড়ি গিয়ে ঢুকছে আর বইয়ের সামনের অংশ দিয়ে সেই পশু মানুষ হয়ে বেরুচ্ছে। প্রদর্শনী স্থলে দর্শকদের মাঝে এই দৃশ্যটি ছিল খুবই জনপ্রিয় ও মনোজ্ঞ বিষয়। বইমেলার আসা দর্শকদের মন জয় করতে সহজ ভাবে তাদের বোঝাতে এর চেয়ে সুন্দর উপমা আর কি হতে পারে? বইমেলায় আগত দর্শক স্রোতাদের মন জয় করতে একটি প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা করা হয়। অনুষ্ঠান স্থলে আমন্ত্রিত অতিথি অনেক জ্ঞানী গুণীজনদের আলোচনা সভার ফাঁকে চলতো যশোরের প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পীদের কণ্ঠে অধ্যাপক শরীফ হোসেন স্যারে লেখা বইয়ের প্রাণবস্তু গান। ইতোমধ্যে সেইসব কণ্ঠ শিল্পীদের তিন জনকে আমরা হারিয়েছি। স্যারের দেখা বইয়ের গানের কলির মধ্যে মরহুম শহীদুর রহমানের সুরে গাওয়া- ১) বইপড়া খুব মজা নয় কি, বই হাতে পথ চলে ভয় কি, বই দেয় আলো আর দূর করে আঁধিয়ার। ২) বই টই যদি ভাই নাই কিছু থাকতো, মানুষের ইতিহাস কে বা মনে রাখতো, কোনভাবে জানতাম, বুঝতাম মহানবী কার নাম, কোথা ধাম অতীতের এস্তার কাজ কাম ভুলবার আঁধারেই আপনাকে ঢাকতো, বই টই যদি ভাই নাই কিছু থাকতো। মরহুম প্রণব ঘোষের কণ্ঠে ৩) বই টই যদি ভাই নাই কিছু থাকতো কাগজের নদী বুকে কোন তরী ভাসতো, সব গান মরে যেত গায়কের সঙ্গে রক্তের ধারা নেই কোথা কোন অঙ্গে। মরহুম ওস্তাদ শাহ মো. মোর্শেদ এর কণ্ঠ ৪) বই টই যদি ভাই টই কিছু থাকতো, মানুষের ভাবধারা কোন পথে বাঁচতো। গ্রীকদের জ্ঞান রাশি নিশ্চুপ রোমকেরা নাহি জ্বলে কোন ধুপ, মুসলিম অবদান মরাকূপ, চোরাবালি পদে পদে পাতালেই টানতো, বইটই যদি ভাই নাই কিছু থাকতো। ৫) বইটই যদি ভাই নাহি কিছু থাকতো সুন্দর দুনিয়াটা কোন সুরে হাটতো, কবিগুরু জোড়া সাকো কারাগারে বন্ধ, নজরুল গুহা মাঝে বেদনায় অন্ধ। পরিশেষে আমি বলবো আজ থেকে ৬০ বছর আগে শ্রদ্ধেয় শরীফ হোসেন স্যার তিনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমরা তার ছাত্র হিসেবে সে শিক্ষা তার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছি পড়ো এবং মানুষ হও। স্যার যে আদর্শ যে শিক্ষা-দীক্ষা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে আমাকে দিয়েছেন, যা শিখিয়েছেন আজও আমি সেই শিক্ষা এখনও পালন করে চলেছি, অক্ষরে অক্ষরে প্রতি পদে পদে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমি যেন তাঁর সে আদর্শ অনুসরণ করতে পারি মহান রাব্বুল আলামিন আমাকে সেই তৌফিক দান করুন। বি:দ্র: অধ্যাপক আমিরুল আলম খান যশোর পাবলিক লাইব্রেরীর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যশোর পাবলিক লাইব্রেরীর এই পান্ডুলিপি সংগ্রহে আমার ভূমিকার কথা বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতেন। লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক, কলাম লেখক ও সমাজ উন্নয়ন কর্মী

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

কালীগঞ্জে সর্বত্র মাদকের রমরমা ব্যবসা / হুমকির মুখে যুবসমাজ, আতঙ্কে অভিভাবকরা

২০২৬-২৭ বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

দেশের ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, ২ মাসের কারাদণ্ড

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে!

আদিতমারীতে তুচ্ছ বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

X