মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নতুন সরকারের অগ্নিপরীক্ষার নাম ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়’

সুজায়েত শামীম সুমন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
সুজায়েত শামীম সুমন

শুরুতেই যদি প্রশ্ন করা হয় - বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় কি বিএনপি সরকারের গলার কাঁটা!! এক কথায় উত্তর হলো ‘হ্যা।’ এবং প্রসঙক্রমে বলা যায়; বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পথে আগামী দিনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও ডলার সংকটের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হয়ে আসছে। সম্ভব হয়ে উঠছে না সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার। আবার খরচের লাগাম টানার মত সিদ্ধান্ত যদি নেয়া হয়; তা নতুন সরকারের জন্য তৈরি করবে সংকটময় ঝুঁকি। বিশেষ করে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা পরিশোধে বিলম্ব করা হলে তারা উৎপাদন বন্ধ করে দিতে পারে; যা দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি তৈরি করবে। আবার যদি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই বিশাল অংকের ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ প্রদান অব্যাহত রাখা হয়; তাতে করে রাষ্ট্রের কোষাগারে টান পড়বে এবং অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। মূলত, একদিকে জনস্বার্থ রক্ষা আর অন্যদিকে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক শৃঙ্খলার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই হবে নতুন প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষা।

বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো; প্রয়োজনের চেয়ে উৎপাদন ক্ষমতা বেশি থাকা সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেও রাষ্ট্রকে হাজার হাজার কোটি টাকা গচ্চা দিতে হচ্ছে। আবার যদি বিশ্ববাজার থেকে উচ্চমূল্যে জ্বালানি কেনা বন্ধ রাখা হয়, তবে শিল্প-কারখানার চাকা থেমে গিয়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়বে।

এমতাবস্থায়, বর্তমান সরকারের জন্য পথটি মোটেও মসৃণ নয়। একদিকে যেমন বিগত দেড় দশকের অসম চুক্তির বোঝা এবং ‘বিশেষ বিধান’ আইনের অধীনে তৈরি হওয়া আর্থিক গর্ত ভরাট করতে হবে, অন্যদিকে আইএমএফ এর শর্ত মেনে ভর্তুকি কমিয়ে জনরোষ সামলানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। মেগা প্রকল্পগুলো দ্রুত চালু করে আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং দেশীয় খনিজ সম্পদ উত্তোলনে সাহসী পদক্ষেপ নিতে না পারলে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এই নড়বড়ে পরিস্থিতি পুরো দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবে।

বর্তমানে দেশে মোট ১৩৬ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে, যার একটি বড় অংশ কোন কাজে লাগছে না; অথচ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সরকারকে বিশাল অংকের ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ গুনতে হচ্ছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মতে গেলো ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সরকার এ খাতে ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ হিসাবে খরচ করেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি করণ আইনের আওতায় কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা ছাড়াই ৯১টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল। এবং এইসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে ৪১ শতাংশ কেন্দ্র কোন প্রকার উৎপাদন ছাড়াই সরকারের কাছ থেকে ক্যাপাসিটি চার্জ হিসাবে মোটা অংকের টাকা নিয়ে গেছে বছরের পর বছর। এ সকল কোম্পানির সাথে চুক্তির শর্তই ছিল বিদ্যুৎ না কিনলেও ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ তাদেরকে অর্থ দিতে হবে।

এদিকে জ্বালানি খাতের আর্থিক সংকটের চিত্র আরও ভয়াবহ। বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর পাশাপাশি ভারতের আদানি পাওয়ারের বকেয়া প্রায় ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা; যা পরিশোধ করা বিএনপি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকা; যার সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে রাশিয়া। এই প্রকল্পের মূল কাজ পেয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক শক্তি সংস্থা ‘রোসাটম’ এবং তাদের অধীনস্থ সংস্থা ‘অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট’ প্রকল্পের মূল ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে। অপরদিকে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) সরবরাহ করার দায়িত্বও রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ‘টিভিইএল’ ফুয়েল কোম্পানির। এই মেগা প্রকল্পে অত্যাধিক ব্যয় দেখিয়ে বিগত সরকার কোন ধরণের আর্থিক কেলেঙ্কারি করেছে কিনা; সেটিও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিট ২০২৬ সালে পূর্ণ উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও রাশিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। হিসাব অনুযায়ী, রেয়াতকাল শেষে প্রতি বছর রাশিয়াকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা কিস্তি হিসেবে পরিশোধ করতে হবে। রূপপুর প্রকল্পটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে দেশের মোট চাহিদার প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব।

একদিকে এলএনজি ও কয়লা আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় ডলারের সংস্থান; অন্যদিকে আইএমএফ এর শর্ত মেনে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি; সব মিলিয়ে আগামী সরকারের জন্য এই মন্ত্রণালয় যেন আগ্নেয়গিরির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এবং প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয় এই মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে জটিলতা হলো মেগা প্রকল্পগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ করা। যেমন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কক্সবাজারের মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যার একটি ইউনিট চালু হলেও দ্বিতীয় ইউনিটের পূর্ণ সক্ষমতা এবং গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে কয়লা খালাসের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি; যা বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া চট্রগ্রামের বাঁশখালী এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট (আংশিক চালু) এবং পটুয়াখালী পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম পর্যায় সফলভাবে চললেও দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ এবং সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে দক্ষিণাঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ ঢাকায় আনার গ্রিড লাইনের কাজ এখনও শেষ হয়নি। অপরদিকে মাতারবাড়িতে প্রস্তাবিত ল্যান্ড বেসড এলএনজি টার্মিনাল প্রকল্পটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আওয়ামী সরকার বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪,৫০০ থেকে ১৫,৫০০ কোটি টাকা বাজেট নির্ধারণ করে। প্রশ্ন হলো এই বিশাল অঙ্কের টাকা সরকারের কোন খাত থেকে বের করা হবে; সেটিও ভাববার বিষয়। আবার মাঝপথে প্রকল্পগুলো থামিয়ে দেয়ার কোন সুযোগ নেই।

এই মন্ত্রণালয় নিয়ে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় দুঃশ্চিন্তা হলো বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ সামলানো; যা হবে আগামী দিনের মূল পরীক্ষা। আবার দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটিয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে না পারলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে ইকবাল হাসান মাহমুদকে দায়িত্ব দিয়েছে। এবং বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত হচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী। গতকাল তারা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে ইকবাল হাসান মাহমুদের। ইতিপূর্বে বিএনপি সরকারের সময়ে তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। অপরদিকে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মন্ত্রী হিসাবে এবারই প্রথম; যিনি সরকারের খাতায় লস এ থাকা এক ঝুঁকিপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হলেন। যদিও রাষ্ট্র পরিচালনার গূঢ় কৌশলগুলো তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেছেন। তার পিতা, কিংবদন্তি রাজনীতিক প্রয়াত তরিকুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র; যিনি বিএনপি সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে সমাজকল্যাণ, বন ও পরিবেশ, খাদ্য এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী পিতার সান্নিধ্যে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার যে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত অর্জন করেছেন, তা বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে এই জটিল মন্ত্রণালয় পরিচালনায় তাকে পথ দেখাবে বলেই ধারণা করা যায়।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের শিক্ষা, মেধা এবং বিচক্ষণতার দিক থেকে এতটাই সুদূরপ্রসারী এবং প্রখর যে, তাঁর সমসাময়িক রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে তিনি নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত এবং আধুনিক বিশ্বের প্রশাসনিক ধ্যান-ধারণায় ঋদ্ধ এই তরুণ নেতা কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ নন, বরং যেকোনো জটিল জাতীয় সমস্যাকে যৌক্তিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিশ্লেষণের অসাধারণ সক্ষমতা রাখেন। তাঁর এই মেধার প্রতিফলন দেখা যায় তাঁর রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং জনবান্ধব কর্মসূচি প্রণয়নে; যা তাকে যে কোন ধরণের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অকুতোভয় দক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে ১৯৯১ সালে এসএসসি এবং ১৯৯৩ সালে এইচএসসি পাস করেন। তিনি যশোর শিক্ষাবোর্ডে ২০ জনের মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া ছাত্র। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণরসায়ন ও আণবিক জীববিজ্ঞানে বিএসসি অনার্স এবং ১৯৯৭ সালে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০২ সালে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

দেশের অন্য সব মন্ত্রণালয়ের চেয়ে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়। অনুমান করা যায় এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মত সক্ষমতা এবং বিচক্ষণতা ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের মাঝে খুঁজে পেয়েছেন বলেই দলের চেয়ারম্যান মন্ত্রী সভা গঠনের সময় তাদেরকে যোগ্য মনে করেছেন।

পরিশেষে প্রত্যাশা করা যায় অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের এই সমন্বিত শক্তিই হয়তো পারবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পুঞ্জীভূত জঞ্জাল সরিয়ে দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ইসলামী ব্যাংকে টাকা তোলার হিড়িক

গেমসের ট্রায়াল দিতে ঢাকায় জিনাত

ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ২৪ জনের নামে মামলা, আটক ৩

নড়াইলে প্রভাব খাটিয়ে সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগ

বাংলাদেশকে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ দেবে জাপান

জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেপ্তার

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হাজারের বেশি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও তারুণ্য ধরে রাখবে কাঁকরোল

মণিরামপুরে ইমামুল হত্যাকাণ্ডে আটক হুসাইনের স্বীকারোক্তি

ঋণের প্রলোভনে টাকা আত্মসাত, মাহমুদাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

পাওনা টাকা চাওয়ায় ভাতিজার মারধরে বৃদ্ধ নিহত

সেবা নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা সাধারণ মানুষের

মণিরামপুর পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

এস আলমের প্রভাবমুক্ত ইসলামী ব্যাংকের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

কেশবপুরে ভূমি সহকারীর বাড়িতে অজ্ঞান পার্টির হানা

একনেক সভায় ১০ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

জামায়াতের ৮.৩৯ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব

পুরুষ বন্ধুদের কাছ থেকে উপহার পেতে আনুশকার অস্বস্তি!

মণিরামপুরে নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক-১

তথ্য উপদেষ্টা / স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক

X