মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সোহেল-স্বপ্নার আত্মপক্ষ শুনানি আজ

কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আজ আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাচ্ছেন দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার।

বুধবার (৩ জুন) সকালে সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। বর্তমানে তাদের মহানগর হাজতখানায় রাখা হয়েছে। সকাল ১০টায় তাদের আদালতে হাজির করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এর আদালতে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তালিকাভুক্ত ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, প্রতিবেশী ও প্রত্যক্ষদর্শী, চিকিৎসক, পুলিশ সদস্য, ম্যাজিস্ট্রেট এবং তদন্ত কর্মকর্তা।

গত সোমবার একই আদালত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের কক্ষের সামনে শিশুটির স্যান্ডেল দেখতে পান। দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে খাটের নিচে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমের একটি বালতিতে তার বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া যায়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন এবং লাশ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। ঘটনার পর তিনি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয় এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে সোহেল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দেন।

ঘটনার দিনই রামিসার বাবা পল্লবী থানায় দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত ২৪ মে পল্লবী থানার এসআই মো. অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

কালীগঞ্জে সর্বত্র মাদকের রমরমা ব্যবসা / হুমকির মুখে যুবসমাজ, আতঙ্কে অভিভাবকরা

২০২৬-২৭ বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

দেশের ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, ২ মাসের কারাদণ্ড

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে!

আদিতমারীতে তুচ্ছ বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

X