
রাজধানীর গুলশানে দলীয় রাজনৈতিক কার্যালয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে মনোনয়ন বোর্ডের কার্যক্রম। ঘড়ির কাঁটায় যখন রাত ২টা ৫৫ মিনিট, তখনও প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার চলমান ছিল বলে জানা গেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া এই মনোনয়ন কার্যক্রম দীর্ঘ সময় ধরে চলে। এ সময় দলীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।
মনোনয়ন বোর্ডের এই কার্যক্রমে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
প্রথম দিন ও পরবর্তী সময়েও ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রার্থীরা মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার দেন।
শনিবার রাত ২টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তখনও মনোনয়ন সাক্ষাৎকার চলমান ছিল। ফলে স্পষ্ট হয়, মনোনয়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালিত হচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মোট এক হাজার ২৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হলেও প্রায় ৯০০ জন জমা দিয়েছেন। প্রতিটি ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা এবং মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময় ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয় প্রার্থীদের।
এর আগে, গত ৮ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ এপ্রিল। এছাড়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল এবং বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল, যা নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। এর মধ্যে বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন