
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বিভ্রান্তির অন্যতম বড় উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক আলোচনা, টেলিভিশন টকশো এবং বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া জনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারে, তাই এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ১০০ ফিট এলাকায় জেসিআই কার্নিভালে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতিতে নানা ধরনের বিতর্ক ও কথাবার্তা থাকে, যা অনেক সময় সাধারণ মানুষের কাছে বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে। পার্লামেন্টের আলোচনা থেকে শুরু করে রাস্তার বক্তব্য এবং টকশো—সবকিছুই জনগণের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
তিনি বলেন, টেলিভিশনের টকশো আপনাদের বিভ্রান্ত করবে, আর সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত করবে সোশ্যাল মিডিয়া। যে সোশ্যাল মিডিয়া আপনারা এখন সবাই আক্রান্ত। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের ভাবতে হবে।
অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়া একটা উন্নত দেশ। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তারা সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যান করে দিয়েছে তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য। কেন? কারণ সোশ্যাল মিডিয়া সব সময় ভালো জিনিসকে নিয়ে আসে না। আমাদের এখানে এই প্রভাবটা খুব বেশি পড়েছে।
তবে এসব বিষয় নিয়ে হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি মহাসচিব।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও গত ৫৬ বছরে প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেন, দেশের মাথা পিছু আয় ও জিডিপি এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এখনো প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে এবং অনেকেই শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত।
তবে নানা খাতে দেশের বিভিন্ন অগ্রগতির দিক তুলে ধরে খাদ্য ঘাটতি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ সক্ষম হওয়ায় আশাবাদও প্রকাশ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন