
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল হিসেবে প্রথমবারের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে এ কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বিক্ষোভে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজধানীর প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে কোটা নির্ধারণ করেছে জামায়াত। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। একই সঙ্গে জোটভুক্ত অন্যান্য দলও সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে গত কয়েক দিন ধরে তৎপর রয়েছে। এ কাজে তাদের একাধিক উপকমিটি কাজ করছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় নির্ধারিত সমাবেশস্থল থাকলেও পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যন্ত অংশজুড়ে সমাগম বিস্তৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে, সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে এক বৈঠক শেষে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী ধারায় পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় রাজপথে আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন নয়, বরং সংস্কার প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণের রায় উপেক্ষিত হলে রাজপথে আন্দোলন জোরদার করা হবে।
এদিকে, এর আগে সংসদ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের রায় নিয়ে সরকারি দলের অবস্থানে তারা বিস্মিত ও মর্মাহত।
সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ওয়াকআউটও করে। মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর ‘জুলাই সনদ’ আদেশ জারি না করা এবং বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুলে তারা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।
মন্তব্য করুন