
ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনও থামেনি ঘরে ফেরা মানুষের ঢল। লঞ্চ, বাস ও ট্রেনে প্রতিদিনই রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষরা। জীবিকার তাগিদে তারা আবার কর্মস্থলমুখী হচ্ছেন। তবে স্বাধীনতা দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে অনেকেই এখনও ঢাকায় ফেরেননি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকেই রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মানুষের উপস্থিতিতে কমলাপুর স্টেশন ছিল সরগরম।
উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ জেলা থেকে কর্মজীবী মানুষরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। দূরপাল্লার বাসগুলোতেও ছিল যাত্রীদের চাপ। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষদের উপস্থিতি ছিল বেশি।
চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফেনী, বরিশাল, যশোরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীতে ফিরছেন মানুষ। পাশাপাশি রাজশাহী, পাবনা, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনার যাত্রীরাও নিয়মিত ঢাকায় আসছেন।
নদীপথেও যাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বরিশাল, ভোলা, চাঁদপুর ও ফরিদপুর থেকে লঞ্চযোগে অনেকেই নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ থেকে আসা শিক্ষার্থী এনামুল বলেন, ট্রেন কিছুটা দেরিতে এলেও যাত্রায় কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি স্বস্তিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন এবং ট্রেন ভ্রমণকে আরামদায়ক বলে উল্লেখ করেন।
কুষ্টিয়া থেকে পরিবারসহ ঢাকায় ফেরা রাশেদুল ইসলাম জানান, যাত্রাপথে কোনো ভোগান্তি হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় যাত্রা নির্বিঘ্ন ছিল।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রেনগুলো সময়মতো স্টেশনে পৌঁছাচ্ছে। যাত্রীদের ভোগান্তি নেই এবং সবাই স্বস্তিতে ফিরছেন। স্টেশন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রেল কর্তৃপক্ষ সক্রিয় রয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়ার নির্ধারিত ট্রেনগুলোর মধ্যে রয়েছে—রাজশাহী এক্সপ্রেস (চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ১টা ১৫ মিনিটে, বনলতা এক্সপ্রেস ১টা ৩০ মিনিটে এবং সিল্কসিটি এক্সপ্রেস রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ২টা ৩০ মিনিটে।
মন্তব্য করুন