
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঘোষণা করেছেন, অনিয়ম করে কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিক চলতে দেয়া হবে না। এটি ছিল ঈদের ছুটি শেষে তার প্রথম কর্মদিবসের কর্মসূচির অংশ।
মন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ থেকে রাজধানী ঢাকা এবং আশেপাশের এলাকা থেকে শুরু করে হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিদর্শন অভিযান শুরু করছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে আসাদগেট থেকে শ্যামলি পর্যন্ত ক্লিনিকে তদারকি করা হবে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, অনিয়মকারী হাসপাতাল-ক্লিনিকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।
তিনি বলেন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী, অনিয়মকারী ক্লিনিক মালিকদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।
মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, যদি কোনো ক্লিনিক ন্যূনতম চিকিৎসাসেবার মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে কালক্ষেপণ না করে তাৎক্ষণিকভাবে সেটি বন্ধ করে দেয়া হবে। রাজধানী থেকে শুরু হওয়া এই তদারকি কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দেয়া হবে।
ঈদের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত দেড় যুগের মধ্যে এবারের ঈদুল ফিতর সবচেয়ে স্বস্তিতে ও শান্তিতে উদ্যাপিত হয়েছে। ঈদে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক ছিল, যা সাধারণ মানুষের মনে বাড়তি স্বস্তি দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদ উদ্যাপন করতে পেরেছে। সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে, সব মিলিয়ে এবারের ঈদ অত্যন্ত ভালো কেটেছে।’
ঈদের আনন্দ উদ্যাপনে কিছু বিয়োগান্ত ঘটনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সব ভালো কাটার মাঝেও কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ছাড়া ট্রেন ও বাসে বাড়তি ভাড়া নেয়ার দু-একটি বিচ্ছিন্ন অভিযোগ ছিল। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের ঈদযাত্রা ও উদ্যাপন ছিল সফল।’
মন্তব্য করুন