
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী জনপ্রতিনিধিদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। প্রথম ধাপে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণ করান।
তবে এবার চিরাচরিত রীতি ভেঙে মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে খোলা আকাশের নিচে, জাতীয় সংসদ দক্ষিণ প্লাজায়। বিকেল ৪টায় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক যাত্রার সূচনা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গভবনের দরবার হলে। তবে এবার সেই ধারাবাহিকতা থাকছে না।
খোলা আকাশের নিচে বা বিশাল জনসমক্ষে শপথ গ্রহণ করার মূল উদ্দেশ্য হলো স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। জনগণের সামনে নিজের দায়বদ্ধতা প্রকাশ করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতীকী প্রদর্শন। এটি নেতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে, শপথের গুরুত্ব ও পবিত্রতা বৃদ্ধি করে এবং অনুষ্ঠানের বিশালতা সবার কাছে দৃশ্যমান করে। খবর ডয়চে ভেলে (ডিডাব্লিউ)
জনগণের দায়বদ্ধতা: এটি প্রমাণ করে যে সরকার জনগণের দ্বারা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ।
উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ অনুষ্ঠান: এতে কোনো লুকোছাপা থাকে না, সবার সামনে শপথ নেওয়া হয়।
ঐতিহাসিক ও প্রতীকী তাৎপর্য: এটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকে।
সহজ অংশগ্রহণ: প্রচুর মানুষ বা সমর্থকদের সরাসরি দেখার সুযোগ তৈরি হয়।
মন্তব্য করুন