মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দশ চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
দশ চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে প্রকাশিত ফলাফলের মধ্যে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয়ী হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। এই নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমে দুই দশক পর ফের সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।

দলের নেতৃত্ব এখন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে তার ছেলে তারেক রহমান এর কাঁধে। নির্বাচিত সরকারে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার সম্ভাবনা এখন তারেক রহমানের। তবে বিশ্লেষকদের মতে, তার পথচলা সহজ হবে না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, দারিদ্র্য ও দুর্নীতি মোকাবিলাসহ বড় ধরনের ১০টি চ্যালেঞ্জ নিয়েই প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে হচ্ছে তারেক রহমানকে।

বৈষম্যহীন নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে মানুষের পর্বতসম প্রত্যাশা এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপিকে ঘিরে। এই প্রত্যাশা আর স্বপ্নের সারথি হয়ে সক্ষমতা প্রমাণের সবচেয়ে বড় এবং কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দলটির নতুন নেতৃত্ব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানকে বড় ধরনের যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে—গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করা; মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা; ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন করা; রাষ্ট্রের সব পর্যায় থেকে দুর্নীতি দূর করা; উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান থেকে দেশের সুরক্ষা প্রদান; কার্যকর নিরপেক্ষ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম আমলাতন্ত্র গঠন; রাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনীতিকে টেনে তোলা; মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা; কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরির মাধ্যমে রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা আনা।

এসবের পাশাপাশি রয়েছে বেশকিছু কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জও। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের সব শক্তিকে একত্রিত করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করতে হবে। তবেই গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের পথ সুগম হবে। দেশে বইতে শুরু করবে স্থিতিশীলতার সুবাতাস।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করা। বিগত সময়ে বাংলাদেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটেছে, যারা পরবর্তী সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম পদে পদে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে। এক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোকে সম্পৃক্ত করে ঐক্যবদ্ধভাবে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির মোকাবিলা করতে হবে। নয়তো জনপ্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্ক বা বাণিজ্যিক সম্পর্কের নামে বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের এমন অনুরোধ রক্ষা করা যাবে না, যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ হয় বা জনস্বার্থবিরোধী হয়। তিনি আরও বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ বিএনপিকে মোকাবিলা করতে হবে, সেটি হলো জুলাই সনদ। যেখানে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যার সঙ্গে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একমত হতে পারেনি, সেই বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আগামী সংসদের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার পরামর্শ দেন তিনি।

বিগত আওয়ামী লীগের সরকারের সময়ে দেশের প্রশাসনে ব্যাপক দলীয়করণের অভিযোগ ওঠে। এতে প্রশাসন, বিশেষ করে জনপ্রশাসনে বিভিন্ন শাখায় স্বাভাবিক কার্যক্রম নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। দলীয় পরিচয়ে পরিচিত কর্মকর্তাদের প্রভাবে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতি নানাভাবে প্রভাবিত হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া প্রশাসনে জেঁকে বসে একটি সুবিধাবাদী গ্রুপ, যারা রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের চেয়ে নিজেদের উন্নয়নে বেশি সময় ব্যয় করে। এতে প্রশাসন পরিণত হয় দুর্নীতির আঁতুরঘরে, স্থবির হয়ে পড়ে উন্নয়মূলক কার্যক্রম। আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসন ঢেলে সাজাতে এবং নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠনে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ফলে এ সময়ে প্রশাসন হয়ে পড়েছে গতিহীন, কর্মস্পৃহাহীন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর এ প্রশাসন দিয়ে আগামী বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাধার সম্মুখীন হতে পারে। তাই প্রশাসন ঢেলে সাজাতে না পারলে সরকারের কার্যক্রম পরিচালনা নির্বিঘ্ন হবে না।

সাবেক জনপ্রশাসন সচিব ও রাজনীতি বিশ্লেষক এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার কালবেলাকে বলেন, নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, আমলাতন্ত্রকে ঢেলে সাজানো। অধ্যাপক ইউনূসের সরকার এ কাজটি দক্ষতার সঙ্গে করতে না পারায় অনেক ভালো কাজের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। তবে কাজটি তাদের জন্য খুব সহজও ছিল না। নির্বাচিত সরকারের জন্য কাজটি কঠিন হবে না। রাষ্ট্র হলো একটি ‘ঘর’। সরকার হলো ওই ঘরের ‘ছাউনি’। আমলাতন্ত্র হলো ‘খুঁটি’। খুঁটি নড়বড়ে হলে বসবাস নিরাপত্তাহীন ও নিরানন্দ হয়। এমন অবস্থায় ভালো থাকা বা ভালো কাজ করা সম্ভব হয় না। তাই নতুন সরকার প্রধানকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র মাঝামাঝি মানের। এটা সিঙ্গাপুর, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো চৌকস নয়। তাই এখান থেকে তুলনামূলকভাবে সেরাদের খুঁজে বের করে কাজে লাগাতে হবে। দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য না দিয়ে পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যদিকে আমলাতন্ত্রে একটি সুবিধাবাদী গ্রুপ রয়েছে, যারা সবসময় নতুন সরকারের কাছে ভিড়ে যায় এবং সরকারকে বিভ্রান্ত করে। এই সুবিধাবাদীদের খপ্পরে পড়লে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হবে, সরকারকে বিপদে পড়তে হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেশের অর্থনীতি অনেকটা গতিহীন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আমদানি, রপ্তানি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অনেকটাই সংকুচিত হয়ে আসে। এই সময়ে যদিও রেমিট্যান্স অর্থনীতির চাকা কিছু সচল রেখেছে, কিন্তু স্বাভাবিক গতি ফেরাতে পারেনি। তা ছাড়া রাজনৈতিক অস্থিরতা, মবতন্ত্র ইত্যাদি কারণে ছোট- বড় অসংখ্য কারখানা বন্ধ হয়ে লাখ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়ে, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। তাই নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতি পুনরুদ্ধার একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের নাজুক অবস্থা এবং গত ১৫ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে নতুন সরকারকে। এ ছাড়া ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করাটাও নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, নতুন সরকারকে অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে। কারণ দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। এটা আগামী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের আয়ের গতি মন্থর। অন্তর্বর্তী সরকার বারবার সময় বাড়িয়েও আয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। দেশে বর্তমানে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি বিরাজ করছে, এমন পরিস্থিতিতে যদি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় কাঙ্ক্ষিত আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারে, তাহলে টাকা ছাপতে হবে। এটি মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দেবে। এক্ষেত্রে করহার তিন শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে একাধিক স্লাবে ভাগ করলে মানুষ কর প্রদানে আগ্রহী হবে। বর্তমান স্লাবের উচ্চ স্তরে ২৫ শতাংশ হারে কর প্রদান অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। এ ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনাও একটি চ্যালেঞ্জ, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে বাজার ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এবং রিজার্ভ বাড়াতে এ মুহূর্তে রেমিট্যান্সের ওপর জোর দিতে হবে। এসব অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে দক্ষ, অভিজ্ঞদের নেতৃত্বে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে হবে।

বাংলাদেশে সংবিধান অনুসারে, দেশের কূটনৈতিক নীতি হলো সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে, বিশেষ করে ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে শুরু করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসা জটিলতা দেখা গেছে। এ ছাড়া বাণিজ্য ঘাটতি এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে অনেক দেশ ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপন করা আসন্ন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিশিষ্ট কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবীরের মতে, আগামীতে যারা সরকার গঠন করবে, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের বৈশ্বিক যোগাযোগ সমুন্নত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেশাগত কূটনীতি ও আধুনিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসাগত জটিলতা রয়েছে। মূলত কোনো দেশের মানুষ যদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, অবৈধ কাগজপত্র সরবরাহ করে অন্য দেশে গমন করে, অথবা রাষ্ট্রীয় অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়, তাহলে এমন ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে উত্তরণে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে। যারা এসব কাজে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে ফের যেন তা না হয় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মূলত তরুণরা এসব পথ অবলম্বন করে বিদেশ পাড়ি জমাতে চায়, তাই তাদের বিদেশ যাত্রায় নিরুৎসাহিত করতে দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সেজন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে আইনের শাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সরকারকে মনে রাখতে হবে, পৃথিবী আর আগের মতো নেই। বাংলাদেশ বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এবং ভারত ও চীনের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই পৃথক পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছে। এ পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ সব মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। কূটনৈতিক নীতি নির্ধারণ উন্নয়নে এমনভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে, যেন বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে এই দেশগুলো পারস্পরিক কোনো দ্বন্দ্বে জড়িয়ে না পড়ে।

তবে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, বিএনপির সামনে চ্যালেঞ্জ যতটা বড়, তার চেয়ে বড় সম্ভাবনাও অপেক্ষা করছে। ২৫ ডিসেম্বর নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উষ্ণ সংবর্ধনা নিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন তারেক রহমান। লাখ লাখ মানুষের সমাগমে তার এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন রাজনীতির জন্য নতুন বার্তাবহ ঘটনা। যার অর্থ মানুষের সমর্থন এবং ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে দলটি ঘিরে, দলের নেতা তারেক রহমানকে ঘিরে, যার প্রমাণ মিলেছে নির্বাচনে দলটির বড় জয়েও। এখন দেখার বিষয়, মানুষের সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি তাদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এস আলমের প্রভাবমুক্ত ইসলামী ব্যাংকের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

কেশবপুরে ভূমি সহকারীর বাড়িতে অজ্ঞান পার্টির হানা

একনেক সভায় ১০ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

জামায়াতের ৮.৩৯ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব

পুরুষ বন্ধুদের কাছ থেকে উপহার পেতে আনুশকার অস্বস্তি!

মণিরামপুরে নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক-১

তথ্য উপদেষ্টা / স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

X