সোমবার
২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

রাত ৮টার পর নির্বাচনী জনসভায় মাইক নিষিদ্ধ : ইসি

কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
নির্বাচনী জনসভায় রাত ৮টার পর মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

নির্বাচনী জনসভায় রাত ৮টার পর মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সময়ের পরে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল লাউডস্পিকার ব্যবহার করলে তা নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে কমিশন।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণায় শব্দমাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি প্রচারণার সময় কোনো নির্বাচনী এলাকায় মাইক বা শব্দমাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ব্যবহার করতে পারবেন।

আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রতি সমাবেশে লাউডস্পিকার ব্যবহারের সর্বোচ্চ সংখ্যা তিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সাধারণ প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ব্যবহার সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পৃথক অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে। কোনো প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলকেও জরিমানার আওতায় আনার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকেও আর্থিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

প্রার্থী হিসেবেও ঘোষিত ব্যক্তিকে আলাদা অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে। সেখানে তিনি ও তার নির্বাচনী সহযোগীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এতে প্রার্থী ও দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষর রয়েছে।

আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। বিধান লঙ্ঘনে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে।

নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন তুলি বলেন, রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ব্যবহার করা স্পষ্ট আইনভঙ্গ। নির্বাচন কমিশনের আইনে এটি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে। আচরণবিধি ভঙ্গ হলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাও সেখানে বলা আছে। আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, তাই বিষয়টি তারাই দেখবে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রথমার্ধ! গোলশূন্য বিরতিতে আর্জেন্টিনা ও স্পেন

ইসরায়েলি সংসদে বিক্ষোভের মুখে কক্ষ ছাড়লেন নেতানিয়াহু

মাঝমাঠের তীব্র লড়াইয়ে ম্যাচ এখনো গোলশূন্য

বিশ্বজয়ের চূড়ান্ত লড়াই, স্পেনের আক্রমণের সামনে দেয়াল তুলছে আর্জেন্টিনা

কলা ছাড়াও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ যেসব ফল ও সবজি খাবেন

যশোর সীমান্ত পরিবহন বাস মালিক সমিতি  আজিমুল সভাপতি ও রানা সাধারণ সম্পাদক মনোনীত

তৌহিদী জনতার বাধায় যশোর ঈদগাহ মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ দেখানো বন্ধ

নড়াইলে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে রাজমিস্ত্রিকে হত্যা

বাংলাদেশের আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী

অভয়নগরে চাঁদার দাবিতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর মারপিট, আটক ৪ 

মোংলায় আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত কার্যক্রম’ প্রতিহতের ঘোষণা বিএনপির

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক ঐক্যের ডাক দিলেন নিপুণ রায় চৌধুরী

নড়াইলে প্রধান শিক্ষককে ছুরিকাঘাত, অফিস সহকারী পলাতক

আর্জেন্টিনা জিতলে বিয়ে? যা বললেন পরীমণি

রুদ্ধশ্বাস জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

জ্বরের মৌসুমে যা খাওয়া দরকার

যশোর মেডিকেল কলেজে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

যশোরে প্রজাপতি স্কুলের শিক্ষার্থীদের  বৃক্ষ রোপন ও বিতরণ 

মেয়েকে হত্যা করে বস্তাবন্দি লাশ মোটরসাইকেলে নিয়ে ঘুরছিলেন বাবা

২১ বছর পর মালয়েশিয়ার কারাগার থেকে বাড়ি ফিরলেন বাগেরহাটের রতন

X