
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত এবং কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এ লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মেলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া দেশীয় পণ্যের প্রচার, পণ্য বহুমুখীকরণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নে মেলার অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, মাসব্যাপী আয়োজিত এ মেলা দেশের গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য দেশি-বিদেশি দর্শক, ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। মেলার মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারা সহজেই বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেন।
ড. ইউনূস আশা প্রকাশ করেছেন যে, মেলায় অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে। তিনি বলেন, সবার কার্যকর অংশগ্রহণে এ মেলা হবে সুন্দর, ক্রেতাবান্ধব এবং উৎসবমুখর।
প্রধান উপদেষ্টা দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে মেলাটিকে একটি অনন্য আয়োজন হিসেবে অভিহিত করেন।
উল্লেখ্য, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী ১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উদ্বোধন হবে ৩ জানুয়ারি ২০২৬।
মন্তব্য করুন