
৩ ডিসেম্বর ১৯৭১। এই দিন দেশের বেশ কিছু স্থান হানাদার মুক্ত হয়। পাক হানাদারদের হটিয়ে আজকের এই দিনে বরগুনা মুক্ত করেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। পাকিস্তানি হানাদার ও রাজাকারদের হাতে নিহত ১৩৮ জন শহীদ স্মরণে বরগুনার শহীদ স্মৃতি সড়কের গণকবরে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ। সার্কিট হাউস ময়দানে নির্মাণ করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ।
৩ ডিসেম্বর পীরগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস। মুক্তিবাহিনীর ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের অধীনে দুইশতাধিক গেরিলা ও মিত্রবাহিনীর চতুর্মুখী আক্রমণের মুখে ’৭১ এর এই দিন পাকবাহিনীরা পীরগঞ্জ ছাড়তে বাধ্য হয়। মুক্তিবাহিনীর গেরিলা নেতা শহীদুল্লাহ শহিদ, মকিমউদ্দিন আহম্মেদ, আব্দুল আজিজ, বীরহলীর তালেবুর রহমান ও কাচন ডুমুরিয়ার আকতারুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন গেরিলা মুক্তিসেনারা পীরগঞ্জে প্রবেশ করেন।
ডিফেন্সের মুক্তিসেনা ও মিত্রবাহিনীর একটি ইউনিট পীরগঞ্জে প্রবেশ করলে পাকবাহিনী পালিয়ে যায় এবং সেই দিন থেকেই ৩ ডিসেম্বর পীরগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ কোটালীপাড়াও হানাদার মুক্ত হয়। জানা যায়, কাকডাঙ্গা রাজাকার ক্যাম্পের সদস্যরা এই দিন মুক্তিকামী হেমায়েত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। তাই প্রতিবছর কোটালীপাড়ায়ও যথাযথ মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে দিনটি স্মরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন