
ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দের অন্যতম বড় অংশ হলো সুস্বাদু খাবারের আয়োজন। ঈদের দিনের খাবারের তালিকায় থাকে নানা রকম ঐতিহ্যবাহী ও মুখরোচক পদ, যা পরিবারের সবাইকে একসাথে আনন্দে মাতিয়ে তোলে।
ঈদের দিন শুরুই হয় মিষ্টি দিয়ে। অনেকের কাছে ঈদ মানেই সেমাই—এ যেন এক অবিচ্ছেদ্য ঐতিহ্য। আর এই মিষ্টিমুখের আয়োজনে কিংবা ঈদ উপলক্ষে সারাদিনের মেনুতে রাখতে পারেন মজাদার বাহারি খাবার।
এখনও অনেকের কাছে ঈদ মানেই সেমাই। তাই সেমাই তো থাকছে, সাথে রাখতে পারেন জর্দা, কিংবা কোনো এক মিষ্টি যা খুব সহজেই ঘরে তৈরি করা যাবে। যেমন হালুয়া, রসগোল্লা, মনোহরা বা অন্য কোনো মিষ্টি যা হাতের কাছের উপাদান দিয়ে সহজে তৈরি করে নিতে পারেন।
সকালে অনেকেই খালি পেটে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে পারেন না। তাই সকালের তালিকায় মিষ্টিজাতীয় খাবারের পাশাপাশি ঝাল জাতীয় কিছু একটা রাখতে হবে। যেমন চটপটি বা হালিম অথবা কোনো ঝাল জাতীয় পিঠা। অথবা তৈরি করতে পারেন চিকেন নুডুলস বা পাস্তা।
ঈদের দিনের মজাদার খাবারের তালিকায় পায়েস অন্যতম। তাই পায়েস বাদ দেওয়া যাবে না কোনোভাবেই।
দুপুরে রাখতে পারেন পোলাও, সাথে মজাদার কোন মাসালা চিকেন। অথবা গরুর মাংসের বিরিয়ানি। অথবা, চিকেন ফ্রাইড রাইসের সাথে চিকেন ফ্রাই। কিংবা সাদা ভাতের সাথে রাখতে পারেন এক পদ মাংস, কয়েক রকম ভর্তা। শেষের জন্য রাখতে পারেন দই কিংবা বোরহানি।
উৎসবের দিনে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা থাকে। তবে যেকোনো আয়োজনেই স্বাস্থ্যকর খাবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।
মন্তব্য করুন