
ইসলামের দৃষ্টিতে জুলুম হলো—কারও প্রতি অন্যায় করা, অধিকার হরণ করা বা সীমালঙ্ঘন করা। এটি শুধু শারীরিক আঘাত নয়; বরং গালি দেওয়া, অপবাদ দেওয়া, সম্পদ দখল করা, দুর্বলকে নির্যাতন করা এবং অন্যায়ভাবে অধিকার কেড়ে নেওয়াও জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।
ইসলামে জুলুমকে কবীরা গুনাহ (বড় পাপ) হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
জুলুম একটি বড় গুনাহ। জুলুম অতীতের নেক আমলগুলো নষ্ট করে দেয়, ভবিষ্যতের জন্য কঠিন পরিণতি ডেকে আনে। সর্বোপরি আল্লাহর অসন্তুষ্টি নেমে আসে। জুলুমের শাস্তি ও পরিণতিও সুদূরপ্রসারী। দুনিয়া ও আখেরাত, সবখানে জুলুমকারী শাস্তি পেতে থাকে।
জুলুম কেবল অন্যের প্রতি নয়, কেবল বান্দার হক নষ্ট করার মাধ্যমে; জুলুম হয় নিজের প্রতিও- বিভিন্ন গোনাহ ও শরীয়তের হুকুম লঙ্ঘনের মাধ্যমে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
وَ مَنْ يَّتَعَدَّ حُدُوْدَ اللهِ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهٗ
কেউ আল্লাহর (স্থিরীকৃত) সীমারেখা লঙ্ঘন করলে, সে তো তার নিজের ওপরই জুলুম করল। -সূরা ত্বলাক (৬৫): ১
আল্লাহর হুকুমের সামান্য বরখেলাফও যে নিজের প্রতি জুলুম। সেই অনুভূতি জাগ্রত হয়েছিল মানবের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু, মানবজাতির পিতা হযরত আদম আ.-এর পবিত্র হৃদয়ে। তাই তিনি বলেছিলেন-
رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِيْنَ.
হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজ সত্তার ওপর জুলুম করে ফেলেছি। আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন ও আমাদের প্রতি রহম না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অকৃতকার্যদের অন্তভুর্ক্ত হয়ে যাব। -সূরা আরাফ (৭): ২৩
অন্যের প্রতি অন্যায়-অনাচার করার যে জুলুম সেটিও কেবল অন্যের প্রতি নয়; প্রকারান্তরে নিজের প্রতিই জুলুম। এর ফলে জুলুমকারীর দুনিয়া ও আখেরাত বরবাদ হয়। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
وَّ لَا تُمْسِكُوْهُنَّ ضِرَارًا لِّتَعْتَدُوْا و مَنْ يَّفْعَلْ ذٰلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَه.
(স্ত্রীদেরকে) কষ্ট দেওয়ার লক্ষ্যে এ জন্য আটকে রেখ না যে তাদের প্রতি জুলুম করতে পারবে। যে ব্যক্তি এরূপ করবে, সে স্বয়ং নিজ সত্তার প্রতিই জুলুম করল। সূরা বাকারা (২): ২৩১
শিরকের মাধ্যমে নিজের প্রতি জুলুম
সত্যের সীমা লঙ্ঘন করে অন্যায়ের প্রতি ঝুঁকে যাওয়া জুলুমের মূল বিষয়। আল্লাহ আমাদের কত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাদেরকে! সুন্দর গড়ন ও গঠন, জ্ঞান-বুদ্ধি ও রুচি-প্রকৃতি, বৈচিত্র্যময় জীবন-যাপনের ব্যবস্থা সবই তার অপার দান। তিনি রিযিক দান করেন। অসুস্থ হলে সুস্থ করেন। আমাদের যত প্রয়োজন সব তিনিই পূরণ করেন। সুতরাং ইবাদতও একমাত্র তার জন্যে নিখাদ ও নিরংকুশভাবে নির্ধারিত। কিন্তু এতে যদি কাউকে শরীক ও অংশীদার বানানো হয়, তবে পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় জুলুম আর কী হতে পারে! তাই আল্লাহ তাআলা কুরআন কারীমে শিরককে সবচেয়ে বড় জুলুম আখ্যায়িত করেছেন। লোকমান আ. তার ছেলেকে উপদেশ দিয়েছিলেন এই বলে-
يٰبُنَيَّ لَا تُشْرِكْ بِاللهِ. اِنَّ الشِّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيْمٌ.
বাছা! আল্লাহর সঙ্গে শিরক করো না। নিশ্চয়ই শিরক অনেক বড় জুলুম-সূরা লুকমান (৩১): ১৩
অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন
اَلَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَ لَمْ يَلْبِسُوْۤا اِيْمَانَهُمْ بِظُلْمٍ اُولٰٓىِٕكَ لَهُمُ الْاَمْنُ وَ هُمْ مُّهْتَدُوْنَ.
(প্রকৃতপক্ষে) যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে জুলুমের সঙ্গে মিশ্রিত করেনি, নিরাপত্তা ও স্বস্তি তো কেবল তাদেরই অধিকার এবং তারাই সঠিক পথে পৌঁছে গেছে। সূরা আনআম (৬): ৮২
মুফাস্সিরীনে কেরাম বলেন, এখানে ‘জুলুম’ অর্থ শিরক।
মূসা আ.এর গোত্রের কিছু লোক যখন বাছুরের পূজা করেছিল, তিনি তাদের লক্ষ্য করে বললেন-
يٰقَوْمِ اِنَّكُمْ ظَلَمْتُمْ اَنْفُسَكُمْ بِاتِّخَاذِكُمُ الْعِجْلَ.
হে আমার সম্প্রদায়! বাছুরকে উপাস্য বানিয়ে প্রকৃতপক্ষে তোমরা নিজেরা নিজেদের প্রতিই জুলুম করেছ। -সূরা বাকারা (২): ৫৪
এছাড়াও কুরআন কারীমের আরও আয়াতে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করাকে জুলুম আখ্যায়িত করা হয়েছে।
গোনাহ ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়া নিজের প্রতি জুলুম
ছোট হোক বা বড়, গোনাহ তো গোনাহই। সেটি নিজের প্রতি বড় অবিচার ও জুলুম। আল্লাহ তাআলা সেটিকে জুলুম আখ্যা দেওয়ার পর তাওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে ক্ষমার ঘোষণাও দিয়েছেন। ইরশাদ করেছেন-
وَ مَنْ يَّعْمَلْ سُوْٓءًا اَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهٗ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ اللهَ يَجِدِ اللهَ غَفُوْرًا رَّحِيْمًا.
যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে ফেলে বা নিজের প্রতি জুলুম করে বসে, তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, সে অবশ্যই আল্লাহকে অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালুই পাবে। সূরা নিসা (৪): ১১০
তাফসীরে ইবনে কাসীর ২/৪০৮
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে-
وَ الَّذِيْنَ اِذَا فَعَلُوْا فَاحِشَةً اَوْ ظَلَمُوْۤا اَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوْبِهِمْ.
এবং তারা সেইসকল লোক, যারা কখনো কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা (অন্য কোনোভাবে) নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তার ফলশ্রুতিতে নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। -সূরা আলে ইমরান (৩): ১৩৫
শরীয়তের বিধান লঙ্ঘন নিজের প্রতি জুলুম
যত নিআমত আল্লাহ আমাদের দান করেছেন, সর্বশ্রেষ্ঠ নিআমত ঈমান ও ইসলামী শরীয়ত। যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহ ও রাসূলের নিখুঁত আনুগত্য প্রকাশ করতে পারি। বেঁচে যেতে পারি নিজের প্রতি জুলুম থেকে। কারণ শরীয়তের বাইরে জীবন যাপন প্রকৃতপক্ষে নিজের প্রতিই জুলুম ও অবিচার।
মুশরিক নর-নারীর সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধকরণ, পারিবারিক জীবন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিকনির্দেশনার পাশাপাশি অতি প্রয়োজনে বিচ্ছেদ বা ছাড়াছাড়ির পথে হাঁটতে হলে তার জন্যও পবিত্র কুরআন উৎকৃষ্ট পন্থা বাতলে দিয়েছে। সবশেষে এসব বিধানকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ‘সীমা’ বলে। নীতিসম্মত এসব বিধান অমান্য করাকে বলা হয়েছে- ‘সীমালঙ্ঘন’। আর এই সীমালঙ্ঘন যে করবে তাকে বলা হয়েছে- ‘জালিম’। আয়াতের শেষে বলা হয়েছে-
تِلْكَ حُدُوْدُ اللهِ فَلَا تَعْتَدُوْهَا وَ مَنْ يَّتَعَدَّ حُدُوْدَ اللهِ فَاُولٰٓىِٕكَ هُمُ الظّٰلِمُوْن.
এটা আল্লাহর স্থিরীকৃত সীমা। সুতরাং তোমরা এসব লঙ্ঘন করো না। যারা আল্লাহর সীমা অতিক্রম করে তারা বড়ই জালিম। সূরা বাকারা (২): ২২৯
(বিস্তারিত দ্র. সূরা বাকারার ২২৯ নাম্বার আয়াত; তাফসীরে তাবারী, ৪/৫৮৪)
ফসীরে ইবনে আবী হাতেম ৩/৭৬৫
শরীয়ত-বিমুখতা নিজের প্রতি জুলুম
ইসলামী শরীয়ত আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া এক মহা নিআমত। এই নিআমতের যথাযথ মূল্যায়ন জরুরি। আর সেটি হতে পারে একমাত্র শরীয়ত অনুসরণের মাধ্যমেই। ইরশাদ হয়েছে-
ثُمَّ جَعَلْنٰكَ عَلٰي شَرِيْعَةٍ مِّنَ الْاَمْرِ فَاتَّبِعْهَا وَ لَا تَتَّبِعْ اَهْوَآءَ الَّذِيْنَ لَا يَعْلَمُوْنَ.
(হে রাসূল!) আমি তোমাকে দ্বীনের এক বিশেষ শরীয়তের উপর রেখেছি। সুতরাং তুমি তারই অনুসরণ কর এবং যারা প্রকৃত জ্ঞান রাখে না, তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করো না। সূরা জাসিয়া (৪৫): ১৮
এছাড়াও আরও বহু আয়াত ও হাদীস রয়েছে, যেখানে শরীয়তের বিধান উপেক্ষা করাকে নিজের প্রতিই জুলুম সাব্যস্ত করা হয়েছে। কাজেই মুমিনের উচিত, এমন জুলুম থেকে সতর্কতার সাথে বেঁচে থাকা।
অন্যায়ভাবে কাউকে কষ্ট দেওয়া জুলুম
ইসলামের প্রথম যুগে প্রিয় সাবাহায়ে কেরামকে কত কষ্টই না সহ্য করতে হয়েছে। অপরাধ কেবল একটাই- কেন তারা ঈমান আনল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর? মরুভূমির উত্তপ্ত বালুরাশির ওপর খালি গায়ে তাঁদের শুইয়ে দিত। শুধু তাই নয়, দুষ্ট ছেলেদের লেলিয়ে দেওয়া, তাদের হাতে তুলে দেওয়া, গলায় রশি বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে অলিগলিতে ঘুরানোসহ হেন কোনো নির্যাতন নেই, যা তারা মহান সাহাবায়ে কেরামের ওপর করেনি। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে কিছু সাহাবী নবীজির নির্দেশে হাবাশায় হিজরত করেছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাদের বিষয়ে বলেন-
وَ الَّذِيْنَ هَاجَرُوْا فِي اللهِ مِنْۢ بَعْدِ مَا ظُلِمُوْا لَنُبَوِّئَنَّهُمْ فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً.
যারা নির্যাতিত হওয়ার পর আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে হিজরত করেছে নিশ্চিত থেকো আমি দুনিয়ায়ও তাদেরকে উত্তম নিবাস দান করব আর আখেরাতের প্রতিদান তো নিঃসন্দেহে সর্বশ্রেষ্ঠ। -সূরা নাহল (১৬): ৪১
মক্কায় সুদীর্ঘ তের বছর পর্যন্ত মুমিনদেরকে সবর ও সংযম অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারাও সর্বোচ্চ ত্যাগের সঙ্গে সেই নির্দেশ পালন করেছেন। যত কঠিন নির্যাতনই করা হোক অস্ত্র দ্বারা তার মোকাবিলা করার অনুমতি ছিল না। ফলে মুসলিমরা জুলুমের জবাব ধৈর্য্য মাধ্যমে দিতেন। একসময় পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। ইরশাদ হয়-
اُذِنَ لِلَّذِيْنَ يُقٰتَلُوْنَ بِاَنَّهُمْ ظُلِمُوْا.
যাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা হচ্ছে, তাদেরকে অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে (তারা নিজেদের প্রতিরক্ষার্থে যুদ্ধ করতে পারে)। যেহেতু তাদের প্রতি জুলুম করা হয়েছে। সূরা হজ্ব (২২) ৩৯
অন্যের হক নষ্ট করা ভয়াবহ জুলুম
অন্যের হক নষ্ট করা বা যে কোনোভাবে কাউকে কষ্ট দেওয়া ভয়াবহ জুলুম। এটি হয়ে থাকে সাধারণত শক্তিশালী কতৃর্ক দুর্বলের প্রতি, বড়র পক্ষ থেকে ছোটের প্রতি, ধনী কতৃর্ক গরিবের প্রতি, মালিক কতৃর্ক শ্রমিক বা কর্মচারীর প্রতি এবং শাসক কতৃর্ক জনগণের প্রতি। এসব কারণে দুনিয়াতে যদিও কোনোভাবে পার পাওয়া যায়, কিন্তু আখেরাতে কী উপায়? কুরআন কারীমে এর জন্য কঠিন শাস্তির ঘোষণা এসেছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
وَ لَمَنِ انْتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهٖ فَاُولٰٓىِٕكَ مَا عَلَيْهِمْ مِّنْ سَبِيْلٍ، اِنَّمَا السَّبِيْلُ عَلَي الَّذِيْنَ يَظْلِمُوْنَ النَّاسَ وَ يَبْغُوْنَ فِي الْاَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ اُولٰٓىِٕكَ لَهُمْ عَذَابٌاَلِيْمٌ..
যারা নিজেদের ওপর জুলুম হওয়ার পর (সমপরিমাণে) বদলা নেয়, তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ তো তাদের বিরুদ্ধে, যারা মানুষের ওপর জুলুম করে ও পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে বিদ্রোহ করে বেড়ায়। এরূপ লোকদের জন্য আছে যন্ত্রণাময় শাস্তি। সূরা শূরা (৪২): ৪১-৪২
জুলুম হয় কখনো শারীরিকভাবে, কখনো মানসিকভাবে। কখনো সম্পদ লুট করে, কখনো সম্ভ্রমহানি করে। তা যেভাবেই করুক কিয়ামতের দিন তার মূল্য দিতেই হবে।
দ্বীনী কাজে বাধা দেওয়া জুলুম
মসজিদ-মাদরাসা বা দ্বীনী কোনো কাজে বাধা দেয়া নিজের প্রতি জুলুম। মুশরিকরা বাইতুল্লাহ্র পথে মানুষকে বাধা দিত। তেমনি খ্রিস্টানরা বাধা দিত বাইতুল মাকদিসের পথে, যেমন আজ দিচ্ছে ইহুদীরা। এমন ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে দুনিয়াতে লাঞ্ছনা এবং আখেরাতে মহা শাস্তি। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
وَ مَنْ اَظْلَمُ مِمَّنْ مَّنَعَ مَسٰجِدَ اللهِ اَنْ یُّذْكَرَ فِیْهَا اسْمُهٗ وَ سَعٰی فِیْ خَرَابِهَا اُولٰٓىِٕكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ یَّدْخُلُوْهَاۤ اِلَّا خَآىِٕفِیْنَ، لَهُمْ فِی الدُّنْیَا خِزْیٌ وَّ لَهُمْ فِی الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِیْمٌ .
সেই ব্যক্তির চেয়ে বড় জালেম আর কে আছে, যে আল্লাহর মসজিদসমূহে আল্লাহর নাম নিতে বাধা প্রদান করে এবং তাকে বিরান করার চেষ্টা করে? এরূপ লোকের তো ভীত-বিহ্বল না হয়ে তাতে প্রবেশ করাই সঙ্গত নয়। তাদের জন্য দুনিয়ায় রয়েছে লাঞ্ছনা এবং আখেরাতে রয়েছে মহা শাস্তি। -সূরা বাকারা (২): ১১৪
মন্তব্য করুন