
জুমার দিন বা শুক্রবার ইসলামের দৃষ্টিতে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে গণ্য। এই দিনের মর্যাদা ও তাৎপর্য অত্যন্ত বেশি। মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ইবাদত।
শুক্রবারে অন্যান্য নফল ও বিশেষ ইবাদতের সওয়াবও বৃদ্ধি পায়। তাই এই দিনকে সঠিকভাবে পালন করা এবং বেশি বেশি আমল করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জরুরি।
জুমার দিনে জুমার নামাজ আদায় করা শুধু একটি সাধারণ ইবাদত নয়, বরং এটি ফরজ ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। প্রায় সব মুসলমান এই নামাজ আদায় করে থাকেন।
তবে শুধু দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। জুমার খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং ইমামের বক্তব্য অনুসরণ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
জুমার দিনে আগেভাগে মসজিদে যাওয়া একটি বড় আমল। যত আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া যায়, তত বেশি সওয়াব অর্জন করা সম্ভব।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পারো। (সূরা জুমা, আয়াত : ৯)
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন জানাবাত (সহবাস পরবর্তীকালে) গোসলের মতো গোসল করে এবং নামাজের জন্য আগমন করে, সে যেন একটি উট কোরবানি করলেন।
যে ব্যক্তি দ্বিতীয় পর্যায়ে আগমন করে, সে যেন একটি গাভী কোরবানি করলেন।
তৃতীয় পর্যায়ে যে আগমন করে, সে যেন একটি শিং-বিশিষ্ট দুম্বা কোরবানি করলেন।
চতুর্থ পর্যায়ে যে আগমন করলো সে যেন একটি মুরগি কোরবানি করলেন। পঞ্চম পর্যায়ে যে আগমন করলো, সে যেন একটি ডিম কোরবানি করলেন। (বুখারি, হাদিস: ৮৮১)
তাই জুমার নামাজের দিন পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া উত্তম। তাহলে সময়মতো ও সঠিকভাবে নামাজ আদায় সম্ভব।
মন্তব্য করুন