
ইসলামে নবজাতক সন্তানের কল্যাণ এবং সুরক্ষার জন্য দোয়া করা একটি সুন্নত। মহানবী মুহাম্মদ (সা.) তার প্রিয় নাতি হাসান (রা.) ও হুসাইন (রা.)-এর জন্য শয়তানের অনিষ্টতা থেকে মুক্তির আশ্রয় চেয়েছিলেন।
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) আল্লাহর কাছে হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর জন্য দোয়া করে বলেছেন:
আরবি উচ্চারণ: «أُعِيذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ»
উচ্চারণ: উইযুকুমা বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শয়তানিন ওয়া হাম্মাতিন ওয়ামিন কুল্লি আইনিন লাম্মাতিন।
অর্থ: আমি তোমাদের দুইজনের জন্য আল্লাহর পরিপূর্ণ কلماتের মাধ্যমে সব শয়তান, বিষধর বস্তু এবং ক্ষতিকর চোখ থেকে আশ্রয় চাইছি।
পরবর্তীতে রাসুল (সা.) উল্লেখ করেছিলেন যে, এই দোয়া একইভাবে পূর্ববর্তী নবী ইবরাহিম (আ.) তার সন্তান ইসমাইল (আ.) ও ইসহাক (আ.)-এর জন্য করেছিলেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৩৭১)
নবজাতক সন্তানের জন্য দোয়া করা কেবল শিশুর নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য নয়, এটি বাবা-মায়ের জন্যও শান্তি এবং মানসিক সান্ত্বনা প্রদান করে। তাই ইসলামে নবজাতক জন্মের সাথে সঙ্গে এই দোয়া পাঠ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।
মন্তব্য করুন