
আবু উমামা আল-বাহিলি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিটি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশে মৃত্যুর বাইরে আর কোনো বাধা থাকবে না। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ৯৯২৮)
আয়াতুল কুরসি আরবি আয়াত: اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِندَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
উচ্চারণ: “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইউল কাইয়ুম, লা তাখুজুহু সিনাতুন ওয়ালা নাওম, লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদি, মান জাল্লাাজি ইয়াশফাউ ইনদাহু ইল্লাহ বিইজনিহি, ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়া লা ইউহিতুনা বিশাইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শাআ, ওয়াসিআ কুরসিইউহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, ওয়ালা ইয়াইউদুহু হিফজুহুমা ওয়া হুয়াল আলিইউল আজিম।”
আয়াতুল কুরসির অর্থ আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব এবং সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রা বা নিন্দ্রা স্পর্শ করে না। আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তাঁরই। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া সুপারিশ করতে পারবে? মানুষের সামনে ও পেছনের সব কিছু তিনি অবগত। তাঁর কুরসি আকাশ ও পৃথিবীতে বিস্তৃত; তাদের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি মহান ও পরম উচ্চ। (সূরা বাকারা, আয়াত ২৫৫)
আয়াতুল কুরসি পাঠের ফযিলত ১. প্রতিদিন ফরজ নামাজের পরে পাঠ করলে মৃত্যুর পর জান্নাতে প্রবেশের পথ সুগম হয়। ২. শত্রু এবং খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে। ৩. আল্লাহর সান্নিধ্যে শক্তিশালী আত্মবিশ্বাস ও শান্তি এনে দেয়।
আয়াতুল কুরসি হলো মুসলিমদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূরা, যা দৈনন্দিন নামাজে পাঠ করলে আধ্যাত্মিক ও পার্থিব জীবনে সুরক্ষা প্রদান করে।
মন্তব্য করুন