বুধবার
২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫০ এএম
বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি ¦ ছবি: রয়টার্স

জার্মানির উগ্র ডানপন্থী রাজনৈতিক দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)-র বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শনিবার (৪ জুলাই) দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর এরফুর্টে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনস্থলে যাওয়ার বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা দলটির নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এরফুর্ট ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

বিক্ষোভে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং বামপন্থী রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকেরা অংশ নেন। তারা এএফডির অভিবাসনবিষয়ক অবস্থান এবং রাজনৈতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন।

সম্মেলনের প্রথম দিনেই দলটির দুই শীর্ষ নেতা অ্যালিস ভাইডেল এবং টিনো ক্রুপালা পুনরায় নেতৃত্বের দায়িত্ব পান। তাঁদের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে এএফডি জার্মানির অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।

অভিবাসনবিরোধী অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে এএফডি। সম্মেলন শুরুর আগে দলটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'সেন্ড দেম ব্যাক' (তাদের ফিরিয়ে দাও) শিরোনামের গান প্রচার করা হয়। সম্মেলনস্থলে 'আপনাকেও বহিষ্কার করা হবে', এমন স্লোগানসংবলিত পোস্টকার্ডও বিক্রি করা হয়।

দলটির বিতর্কিত নেতা বিওর্ন হ্যোকে বক্তব্যে জার্মানির আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার অবনতির অভিযোগ তুলে বলেন, একটি 'মহান জার্মানি' হবে এমন দেশ, যেখানে মানুষ রাতে নির্ভয়ে হাঁটতে পারবে এবং ঘরের চাবি দরজার বাইরে রেখেও নিরাপদ থাকবে।

আগামী সেপ্টেম্বরে স্যাক্সনি-আনহাল্ট ও মেকলেনবুর্গ-ফরপোমার্ন অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব নির্বাচনে ভালো ফল জাতীয় রাজনীতিতে দলটির অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করছে এএফডি।

দশ বছরের বেশি আগে প্রতিষ্ঠিত এএফডি জাতীয়তাবাদী বক্তব্য, কঠোর অভিবাসননীতি এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক স্থবিরতায় অসন্তুষ্ট ভোটারদের সমর্থন নিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দলটির সমর্থন প্রায় ২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্জের নেতৃত্বাধীন সিডিইউ/সিএসইউ জোটের চেয়েও বেশি।

তবে সমালোচকদের মতে, এএফডির বিভিন্ন নীতিতে বর্ণবাদ ও উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রতিফলন রয়েছে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই কারণেই দেশটির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে এএফডির সঙ্গে কোনো ধরনের জোট না করার নীতি অনুসরণ করে আসছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পুলিশ সদস্যর স্ত্রীর ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট সরবরাহ, ল্যাব টেকনিশিয়ান কারাগারে

জুলাই সনদ হোক জাতীয় ঐকমত্যের সেতু, বিভাজনের হাতিয়ার নয়

বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২

পঞ্চগড়ে অভিযান চালিয়ে জগন্নাথপুর হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৮ জন গ্রেপ্তার

অভয়নগরে কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজির দাম দ্বিগুণ, বিপাকে সাধারণ মানুষ

কেশবপুরে মসজিদ ও অসহায়দের অনুদান বিতরণ

মণিরামপুরে তিনদিনব্যাপী ফল মেলার উদ্বোধন

গাইবান্ধায় শিশুকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নতুন ইসিজি মেশিন প্রদান

মোরেলগঞ্জে কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে মাঠে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা

ঝিনাইদহে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্কের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মাগুরায় অনলাইন জুয়ায় চারজন আটক

স্পিকারের নির্দেশনা পেলেই নজরুলের এমপি পদ নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি

রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি: বাবা-ছেলে নিখোঁজ

সিংড়ায় ভেঙে যাওয়া সড়ক মেরামতে বিএনপির উদ্যোগ, স্বাভাবিক হলো চলাচল

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাবি ছাত্রদল নেতার মামলা

স্বাস্থ্যসেবায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

ডা. জাহেদ উর রহমান / দায়িত্ব শেষে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা সম্ভব

ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদান

X