
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক আকস্মিক হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ওই যৌথ হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর সামনে আসে। সেই সময় প্রাণে বেঁচে যান তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি, যিনি পরবর্তীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব গ্রহণ করেন বলে দাবি করা হয়।
তবে এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়।
প্রভাবশালী গণমাধ্যম টাইমস–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েল ও মার্কিন হামলায় গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে অচেতন অবস্থায় আছেন মোজতবা খামেনি। তিনি ইরানের কোম শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কূটনৈতিক একটি মেমোর ভিত্তিতে জানা গেছে—৫৬ বছর বয়সী এই নেতা বর্তমানে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় আছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো মোজতবা খামেনির অবস্থান প্রকাশ করা হলো।
কূটনৈতিক ওই নথিতে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি কোম-এ গুরুতর শারীরিক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি ইরান সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারছেন না।
ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা এই নথি উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পর্যন্ত টানা ৩৯ দিনে পৌঁছেছে। এতে ইরানে বহু প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে প্রকাশ পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন