
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবারের মধ্যে ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় ‘ভয়াবহ পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি। খবর আল জাজিরার। এদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দিলে সবকিছু গুঁড়িয়ে দেওয়ার এ হুমকিকে ‘যুদ্ধাপরাধে উসকানি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইরান।
ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালাবে। এদিকে ইরান বলছে, তাদের অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার ‘যথাযথ’ জবাব দেওয়া হবে।
দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যকে ‘যুদ্ধাপরাধে উসকানি’ বলে নিন্দা করেছেন। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হেনেছে। এতে চারজন আহত এবং আরও চারজন নিখোঁজ হয়েছেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ইরানের হামলা অব্যাহত রয়েছে। কুয়েতে বিদ্যুৎ, পানি পরিশোধন ও তেলকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে এবং বাহরাইনে একটি তেল স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দিলে মঙ্গলবার ইরানের সবকিছু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ হুমকিকে ‘যুদ্ধাপরাধে উসকানি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইরান।
রোববার (৫ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দিলে দেশটি নরকের মধ্যে বসবাস করবে।
এরপর ট্রাম্পের এ মন্তব্যের নিন্দা করে ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা একে ‘বিপজ্জনক খেলা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, ট্রাম্পের এ মন্তব্য বেসামরিক মানুষের ক্ষতি করবে এবং ‘যুদ্ধাপরাধে উসকানি’ হিসেবে বিবেচিত।
ইরান দাবি করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ যুদ্ধবিমান এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে। এটি এমন সময় বলা হয়, যখন ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে ইরানে একটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ এক মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন