
চুক্তি না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে একযোগে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, আগামী ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক আঘাত আসতে পারে, যা দেশটিকে “প্রস্তর যুগে” ফিরিয়ে দিতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ সতর্কবার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভাষণের শুরুতেই তিনি ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের সফল উৎক্ষেপণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং অংশগ্রহণকারী নভোচারীদের সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
এরপর তিনি এক মাস ধরে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ে কথা বলেন। ট্রাম্প দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বিমান বাহিনী মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে দেশটির বেশিরভাগ শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
যুদ্ধে ইরানের বড় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করে যুদ্ধ শেষ হবে তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন ট্রাম্প। তার দাবি, এই কাজ দ্রুত শেষ করবেন তারা।
ট্রাম্পের দাবি, কূটনীতির মাধ্যমে পুরো বিষয়টি মিটিয়ে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে এই চুক্তি এবং সমঝোতা নিয়ে প্রতিটি চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ইরানের নেতাদের সন্ত্রাসবাদী বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।
ইরানে আবারো বড় ধরনের আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্প আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ওপর তাদের নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্র, কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে...। আমাদের শত্রুরা হারছে, এবং আমেরিকা, আমার রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন গত পাঁচ বছরের মতোই জিতছে। এবং এখন, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় ব্যবধানে জিতছে।’
মন্তব্য করুন