
চলমান আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধে শেষ পর্যন্ত আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছে ইরান। তবে যুদ্ধবিরতি বা সংঘাত নিরসনের ক্ষেত্রে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত দিয়েছে দেশটি। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, এই শর্তগুলো পূরণ না হলে তেহরান তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না।
রাশিয়া ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার সময় ইরানের পক্ষ থেকে এই শর্তগুলো তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, এসব শর্তের বিষয়ে তাদের অবস্থান “অনড়”।
বুধবার (১১ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি ইরানের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তার দাবি, বর্তমান উত্তেজনা ও সংঘাতের মূল উসকানিদাতা হলো “জায়নিস্ট শাসকগোষ্ঠী” এবং যুক্তরাষ্ট্র।
মাসুদ পেজেসকিয়ানের শর্তগুলো হলো- ১. ইরানের বৈধ অধিকারের স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইরানের ন্যায্য অধিকার মেনে নিতে হবে।
২. সাম্প্রতিক হামলা ফলে ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতিপূরণ প্রদান।
৩. ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো হামলা না ঘটে সে বিষয়ে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা দিতে হবে।
বিশ্বজুড়ে যখন এই সংঘাত নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই তার এমন মন্তব্য সামনে এলো।
এদিকে রাশিয়া ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে তেহরান তাদের শর্তের বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে, যা সংঘাত নিরসনের আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এর আগে বুধবার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একযোগে ১০০টি রকেট নিক্ষেপ করে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, রকেটগুলো ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন