
ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে দেশটির ভেতরের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রাস্তাঘাট এখন তুলনামূলকভাবে শান্ত।
দেশটির রাজধানী তেহরান ও ইসফাহানসহ বড় শহরগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশ ইরানে চলমান এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
তেহরানের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, টানা পাঁচ দিন বাড়ির ভেতরে থাকার পর তিনি বাইরে বের হয়ে নাফত স্ট্রিট এলাকায় যান। এই সড়কের দুই পাশে সারি সারি গাছ এবং আশপাশে আবাসিক এলাকা অবস্থিত। সেই রাস্তা ঘিরে থাকা আবাসিক এলাকাতেই এক্সপিডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের প্রশাসনিক ভবন, যেটিতে সোমবার রাতে হামলা করা হয়েছিল।
নিরাপত্তার কারণে এখানে তেহরানের ওই বাসিন্দার নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ওই এলাকার আশেপাশে নিরাপত্তা বাহিনী বেশ কয়েকটি চেকপোস্ট বসিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ সময়ে যানজটের কারণে যে পথ পাড়ি দিতে প্রায় দুই ঘণ্টা লাগতো, এখন সেখানে পৌঁছাতে খুব কম সময় লেগেছে।
ওই ব্যক্তি বলেন, ভাগ্য ভালো যে তারা আমাকে থামায়নি। সাধারণত চেকপোস্ট দেখলেই আমি চাপ অনুভব করি। যদিও আমার কাছে কখনো এমন কিছু ছিল না বা আমি এমন কিছু করিনি, যার জন্য ভয় পাওয়ার কথা।
তিনি আরও বলেন, কাছের ইরানশাহর স্ট্রিটের ক্যাফেগুলোতে সাধারণ সময়ে ভীড় লেগেই থাকে। আর এখন তা পুরোপুরি নির্জন হয়ে আছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
মন্তব্য করুন