
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিলেও, গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে সামরিক হামলার জন্য লবিং করেছেন—এমন দাবি উঠেছে মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, সৌদি যুবরাজের একাধিক অনুরোধের পরই ট্রাম্প ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত এক মাসে ব্যক্তিগত ফোনালাপে মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।
তবে প্রকাশ্যে তিনি বরাবরই কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সৌদি আরবের কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার অংশ হতে পারে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
এর আগে স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, খামেনি মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নয়, বরং সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেই মহান আমেরিকানদের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তার দলের হাতে নিহত বা ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি এবং ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তিনি বা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতারা কিছুই করতে পারেননি।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা শুনছি যে তাদের আইআরজিসি, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চান না এবং আমাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) চাইছেন।
মন্তব্য করুন