
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নিরাপত্তা হুমকির কারণে ইসরায়েলে অবস্থানরত জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে আগাম নোটিশ ছাড়াই অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে দূতাবাস। এর ফলে দূতাবাসের কর্মী ও তাদের পরিবারের চলাচলের ওপর আরও কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসরায়েল-এ অবস্থানরত মার্কিন দূতাবাসের কর্মী ও তাদের পরিবারের জন্য কিছু সংবেদনশীল এলাকায় ভ্রমণ নিষিদ্ধ বা সীমিত করা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
এসব এলাকাকে বর্তমানে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মার্কিন নাগরিকদের বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু থাকা অবস্থাতেই দেশত্যাগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবতে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার চীন-ও তার নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে। চীনা সরকার নাগরিকদের ইরান ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি, যারা বর্তমানে ইরানে অবস্থান করছেন, তাদের যত দ্রুত সম্ভব দেশটি ত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বাড়লে বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বন এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
মন্তব্য করুন