মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতির উসকানিমূলক অনুপ্রবেশে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১৯ পিএম
আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতির উসকানিমূলক অনুপ্রবেশে উত্তেজনা  ¦ ছবি: এপি

ফিলিস্তিনের দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে অবৈধ ইসরায়েলি বসতির প্রায় ২০০ জন বাসিন্দা জোরপূর্বক প্রবেশ করেছে। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই অনুপ্রবেশ সংঘটিত হয়, যা মসজিদ প্রাঙ্গণে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলেছে, এসব ঘটনা দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার অংশ, যা আল-আকসা মসজিদকে ভাগ করার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জেরুজালেম প্রাদেশিক প্রশাসনের বিবৃতিতে জানানো হয়, সকালে ও বিকেলে দুই দফায় ইসরায়েলের অবৈধ বসতির মোট ১৮২ জন বাসিন্দা প্রবেশ করে এবং কুব্বাতুস সাখরার (ডোম অব দ্য রক) কাছাকাছি তালমুদিক আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। একই দিনে নিয়ন্ত্রিত গেটের মাধ্যমে ৭৭৮ জন বিদেশি পর্যটকও মসজিদে প্রবেশ করেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র নভেম্বর মাসে ইসরায়েলের অবৈধ বসতির ৪,২৬৬ জন বাসিন্দা এবং প্রায় ১৫,০০০ বিদেশি পর্যটক আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করেছেন।

মুসলিমদের কাছে আল-আকসা মসজিদ বিশ্বের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে এবং ১৯৮০ সালে শহরটি ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরায়েলি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকা আল-আকসা মসজিদের মরক্কো গেট দিয়ে বহুবার এই ধরনের অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। ইসলামিক ওয়াকফ কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে বলেছেন, মসজিদের পুরো ১৪৪ দুনুম এলাকা মুসলিমদের ইবাদতের জন্য নির্ধারিত এবং এই ধর্মীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আল-আকসা মসজিদ মক্কা ও মদিনার পর ইসলামের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার মুসলিম এখানে এসে ইবাদত করেন। মসজিদটি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবেও গণ্য। আল-আকসা প্রাঙ্গণে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা তিনটি প্রধান ধর্ম—ইসলাম, ইহুদি ও খ্রিস্টান—এর ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।

আরবি ভাষায় ‘আল-আকসা’র দুটি অর্থ রয়েছে: ‘সবচেয়ে দূর’, যা মক্কা থেকে এর দূরত্ব নির্দেশ করে, এবং ‘সর্বোচ্চ’, যা মুসলিমদের কাছে এর মর্যাদা ও গুরুত্বের প্রতিফলন। মসজিদটি মুসলিমদের কাছে ‘মসজিদুল আকসা’ বা ‘বাইতুল মুকাদ্দাস’ নামে পরিচিত। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজের রাতে প্রথমে আল-আকসায় এসেছিলেন এবং এখানে নবীদের সঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একনেক সভায় ১০ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

জামায়াতের ৮.৩৯ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব

পুরুষ বন্ধুদের কাছ থেকে উপহার পেতে আনুশকার অস্বস্তি!

মণিরামপুরে নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক-১

তথ্য উপদেষ্টা / স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

X