
তুলসি পাতার অনেক ঔষধি গুনাগুন আছে। তুলসি পাতা নার্ভ টনিক ও স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিকারী। এটা শ্বাস নালী থেকে সর্দি কাশি দূর করে। তুলসির ক্ষত সারানোর ক্ষমুা আছে। তুলসী পাকস্থলীর শক্তি বৃদ্ধি করে ও অনেক বেশি ঘাম হতে সাহায্য করে।
তুলসীর জীবাণু নাশক, ছত্রাক নাশক ও ব্যাক্টেরিয়া নাশক ক্ষমুা আছে। তাই এটা জ্বর ভালো করতে পারে। সাধারণ জ্বর থেকে ম্যালেরিয়া জ্বর পর্যন্ত ভালো করতে পারে। ডায়াবেটিস নিরাময় করে তুলসী পাতায় প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও এসেনশিয়াল অয়েল আছে, যা ইউজেনল, মিথিইল ইউজেনল ও ক্যারিওফাইলিন উৎপন্ন করে। এই উপাদান গুলো অগ্নাশয়ের বিটা সেলকে কাজ করতে সাহায্য করে।
কিডনি পাথর দূর করে রক্তের ইউরিক এসিডের লেভেলকে কমতে সাহায্য করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর অ্যাসেটিক এসিড এবং এসেনশিয়াল অয়েলের উপাদানগুলো কিডনির পাথর ভাঙাতে সাহায্য করে ও ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।
ক্যান্সার নিরাময় করে তুলসীর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি কারসেনোজেনিক উপাদান ব্রেস্ট ক্যান্সার ও ওরাল ক্যান্সারের বৃদ্ধিকে বন্ধ করতে পারে। কারণ এর উপাদানগুলো টিউমারের মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। উপকার পেতে প্রতিদিন তুলসীর রস খান।
তুলসীর স্ট্রেস কমানোর ক্ষমুা আছে। সুস্থ মানুষও প্রতিদিন ১২ টি তুলসি পাতা চিবালে স্ট্রেস মুক্ত থাকতে পারবেন।
তুলসী পাতা মুখের আলসার ভালো করতে পারে।
মাথা ব্যথা ভালো করতে পারে। এর জন্য চন্দনের পেস্ট এর সাথে তুলসী পাতা বাটা মিশিয়ে কপালে লাগালে মাথাব্যথা ভালো হবে। ওজন কমাতে সাহায্য করে,দাঁতের জন্য ভালো। তুলসী পাতা রক্ত পরিষ্কার করে, কোলেস্টেরল কমায়।
মন্তব্য করুন