মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ মৃত্যু, টিকাদান শুরু আজ

যশোরসহ ১৮ জেলা 'হটস্পট'

আশিকুর রহমান শিমুল
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ এএম
ছবি-গ্রামের কাগজ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে এবং এ রোগের লক্ষণ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে হাম আক্রান্ত হয়ে দুইজন এবং উপসর্গ নিয়ে বাকি চারজন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। আর হামের লক্ষণ নিয়ে ৯৮ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এদিকে, যশোর সদরসহ দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলাকে হটস্পট ঘোষণা করে আজ রোববার শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি। এই বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নে যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সকাল ৯ টায় যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বিরামপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। এ ছাড়াও সকাল ১১টায় যশোর পৌরসভায় পৌর এলাকার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার মুজিবুর রহমান। প্রথম দিন শুধুমাত্র নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৬ টি কেন্দ্রে ও পৌর এলাকায় একযোগে টিকাদান কার্যক্রম চলবে, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে নওয়াপাড়া ইউনিয়ন টিকা প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে এবং এ রোগের লক্ষণ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে হাম আক্রান্ত হয়ে দুইজন এবং উপসর্গ নিয়ে বাকি চারজন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। আর হামের লক্ষণ নিয়ে ৯৮ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এদিকে, যশোর সদরসহ দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলাকে হটস্পট ঘোষণা করে আজ রোববার শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি। এই বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নে যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সকাল ৯ টায় যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বিরামপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। এ ছাড়াও সকাল ১১টায় যশোর পৌরসভায় পৌর এলাকার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার মুজিবুর রহমান। প্রথম দিন শুধুমাত্র নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৬ টি কেন্দ্রে ও পৌর এলাকায় একযোগে টিকাদান কার্যক্রম চলবে, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে নওয়াপাড়া ইউনিয়ন টিকা প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে জেলার অন্যান্য ইউনিয়ন ও উপজেলাগুলোতেও এই কার্যক্রম চালু করা হবে। এবার জেলায় প্রায় ৬০ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা, যারা হাম ও রুবেলার ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৬৩ জন সন্দেহভাজন রোগী চিহ্নিত হয়েছে, যার মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে ২৫ জনের হাম ধরা পড়েছে। যশোর জেনারেল হাসপাতাল এবং জেলার ৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে ইতোমধ্যে ১৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, এখন পর্যন্ত জেলায় হামজনিত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।

শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন জানান দেশের ১৮টি জেলাকে হাম সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব জেলায় আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের শুধু টিকা নয়, অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুলও প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় একযোগে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হলো, নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরার নাম।

সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন,শিশুদের হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে সাধারণত দুই ডোজ টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে। প্রথম ডোজ দেওয়া হয় শিশুদের ৯ মাস পূর্ণ হলে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয় ১৫ মাস বয়সে। তবে যেসব শিশু কোনো কারণে শৈশবে এই টিকা নিতে পারেনি, তাদের জন্য এবার বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। তারা ২৮ দিনের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনো শিশুর শরীরে জ্বর বা র‍্যাশ (চামড়ায় ফুসকুড়ি) দেখা যায়, তাহলে তা হাম হোক বা না হোক, দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। র‍্যাশ দেখা দেওয়ার দিন থেকে অন্তত পাঁচ দিন শিশুকে অন্যদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে। একই সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ ওষুধ সেবন নিশ্চিত করতে হবে। শনিবার হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে দুইজন এবং জেলাগুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ দুইজন মারা গেছেন। তবে তাদের বয়স বলা হয়নি।

এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী বিভাগে, আর ঢাকায় মারা গেছেন ৩৮ জন। গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬০ জন হাম আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ৭৮৭ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন, যাদের মধ্যে ৪৮৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ৩১৫ জন ভর্তি হয়েছেন ঢাকার হাসপাতালগুলোতে। সবচেয়ে কম ৪ জন ভর্তি হয়েছেন ময়মনসিংহে।

১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছেন ৬ হাজার ৪৭৬ জন। এদের মধ্যে ৮২৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া এ সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৬২৮ জন। এদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ হাজার ৬৫৪ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব জেলায় কার্যক্রম শুরু হবে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, বগুড়া, পাবনা, চাঁদপুর, কক্সবাজার, গাজীপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, বরিশাল, নওগাঁ, যশোর, নাটোর, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, ঢাকা, ঝালকাঠি ও শরীয়তপুর।

তিনি বলেন, প্রথম ধাপে এসব জেলার ৩০টি উপজেলায় টিকা প্রদান করা হবে। কর্মসূচির উদ্বোধনী দিনে পাঁচটি স্থানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত থাকবেন এবং বাকি উপজেলাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনরা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এদিকে, কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আইজা (৫ মাস) ও ইব্রাহিম (৮ মাস) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ জনে।

জানা গেছে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইজা নামের সাড়ে পাঁচ মাস বয়সী এক মেয়েশিশুর মৃত্যু হয়। সে শহরের রেনউক মোড় এলাকার মমিনের মেয়ে। হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, গত চার দিন ধরে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

অন্যদিকে, একইদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়া আড়াইশ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইব্রাহিম (৮ মাস) নামের আরেক শিশুর মৃত্যু হয়। সে দৌলতপুর উপজেলার চঞ্চল হোসেনের ছেলে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে হাম উপসর্গ নিয়ে তাকে ভর্তি করা হয় এবং রাতে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে এরই মধ্যে হাম রোগীদের জন্য আলাদা কর্নার চালু করা হয়েছে। তবে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় অনেককে সাধারণ শিশু ওয়ার্ডেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, এতে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত জেলায় অন্তত ৩০০-এর বেশি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ১৩০ জনের বেশি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, হামের টিকার স্বল্পতা, সচেতনতার ঘাটতি এবং বাইরের জেলা থেকে মানুষের আগমন সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তিনি বলেন, আক্রান্ত শিশুদের জন্য জেলার সব হাসপাতালে 'হাম আইসোলেশন কর্নার' চালু করা হয়েছে এবং টিকা পাওয়া মাত্র দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে এখন হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৪৯ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শনিবার দুপুরে হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার দুপুর থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এই তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ২৫ জন ভর্তি হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে তিন শিশু। হাসপাতালটিতে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৩৭৭ জন। আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৮ শিশু

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

কালীগঞ্জে সর্বত্র মাদকের রমরমা ব্যবসা / হুমকির মুখে যুবসমাজ, আতঙ্কে অভিভাবকরা

২০২৬-২৭ বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

দেশের ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, ২ মাসের কারাদণ্ড

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে!

X