
সুগন্ধি তেজপাতা খাবারের কেবল রসনাই বাড়ায় না, এতে রয়েছে অনেক তেজপাতা ঔষধী গুণ। ঠান্ডা-কাশি দূরীকরণে, হজমক্রিয়া বাড়ানোয় ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ অনেক রোগের দাওয়ায় হিসেবে কাজ করে উপমহাদেশ জুড়ে অতি পরিচিত এই পাতা।
জেনে নিন তেজপাতা কোন কোন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
ডায়বেটিসের চিকিৎসা: টাইপ ২ ডায়বেটিসের চিকিৎসায় তেজপাতার কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তেজপাতায় রক্তে শর্করা বা চিনি, কোলেস্টেরল কমাতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সহায়তা করে। সর্বোচ্চ ফল পেতে তেজপাতার গুঁড়ো করে টানা এক মাস খেতে পারেন। তেজপাতায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডের কার্যক্রম ভালো রাখে।
বদহজম: তেজপাতা হজমক্রিয়া বাড়াতে সহায়তা করে। হজমক্রিয়ায় সমস্যা থাকলে তা সারিয়ে তোলে। বুক জ্বালাপোড়া, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য! তেজপাতা দিয়ে গরম করা এক গ্লাস পানি পান করুন। স্বস্তি পাবেন।
হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক রোধ: তেজপাতায় এমনসব ভেষজ উপাদান আছে যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো রোগ প্রতিরোধ হৃদ্যন্ত্রকে রাখে নিরাপদ। বাড়ায় হৃদ্যন্ত্রের কার্যক্ষমতা।
ঠান্ডা-কাশিতে: ঠান্ডা জনিত যেকোনো রোগ, ফ্লু ও অন্যান্য সংক্রমণ রোধে লড়াই করে তেজপাতা। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে, পানিতে দুই-তিনটি তেজপাতা দিয়ে ১০ মিনিট গরম করুন। এই পানিতে ভেজানো একটি কাপর বুকের ওপর রাখুন। ফ্লু, ঠান্ডা ও কাশি থেকে আরাম পাওয়া যাবে। জ্বর সাড়াতেও সহায়তা করে তেজপাতা।
ব্যথা উপশম: তেজপাতার তেল বাতের ব্যথা, মচকানো, কোনো কিছুর চাপ লেগে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে বা যেকোনো সাধারণ বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা উপশম করে। মাইগ্রেন ও মাথাব্যথায় কপালি তেজপাতার তেল মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন