
শীতে শিশুদের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এ সময় জ্বর, ঠান্ডা ও কাশির মতো সমস্যায় শিশুরা সহজেই আক্রান্ত হয়। সাধারণত জ্বর বা ঠান্ডা কয়েক দিনের মধ্যেই সেরে গেলেও কাশি অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়ে ওঠে। এতে শুধু শিশুই নয়, বাবা–মায়ের রাতের ঘুমও ব্যাহত হয়।
অনেক ক্ষেত্রে কাশির সিরাপেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি কিছু নিরাপদ ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলে শিশুর কাশি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
শিশুর বয়স যদি দুই বছরের কম হয়, তাহলে তার বালিশের ওপর কয়েক ফোঁটা ইউকেলিপটাস তেলের ড্রপ ঢেলে দিন। এতে শিশুর নাসারন্ধ্র খুলে যাবে।
খুসখুসে কাশি হলে শিশুকে জিংক লজেন্স প্রতি ২-৩ ঘণ্টায় একবার দিতে পারেন। এটি খেলে কাশি কমে আসবে। শিশুর কাশি হলে তাল মিছরি চুষলেও উপকার পাওয়া যায়।
কাশি হলে আপনার শিশুকে এক বাটি গরম সবজির স্যুপ বা চিকেন স্যুপ খাওয়ান। এটি কাশি বা গলা ব্যথা থেকে আরাম প্রদান করবে।
মধুর সঙ্গে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো খাওয়াতে পারেন শিশুকে। এতে দ্রুত সারবে শিশুর কাশি।
মধুর সঙ্গে মিশিয়ে আদা বাটাও খাওয়াতে পারেন শিশুকে। আদার অ্যান্টি-হিস্টামাইন গুণ অ্যালার্জির চিকিৎসায় অন্যতম। দীর্ঘস্থায়ী কাশি নিরাময় করতেও সাহায্য করে এ টোটকা। রাতে যদি শিশুর কাশি বেড়ে যায়; তাহলে কয়েকটি বালিশ দিয়ে তার মাথা উঁচু করে শুইয়ে দিন। কাশি কমে যাবে।
সরিষার তেল গরম করে এর মধ্যে সামান্য রসুন থেঁতো করে মিশিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এরপর ওই তেল দিয়ে শিশুর গলা, বুক, পিঠ, হাতের তালু ও পায়ের পাতায় এটি মালিশ করুন। ঠান্ডা-কাশি দ্রুত সেরে যাবে এই উপায়ে।
মন্তব্য করুন