মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: বাঙালির মানসপটে স্থায়ী প্রতীক

অরুন শীল
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ০৭:১৫ এএম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: বাঙালির মানসপটে স্থায়ী প্রতীক

রবীন্দ্রনাথের বহুমুখী প্রতিভা, পর্ব থেকে পর্বান্তরে তাঁর স্বচ্ছন্দ উত্তরণ, সর্বজনীন ও সমকালীন জীবনবোধকে উদার মানবিকতার দৃষ্টিভূমি থেকে গ্রহণ করার ব্যাকুলতা বাঙালির মানসক্ষেত্রে তাঁকে স্থায়ী আসন দিয়েছে৷

বাঙালি মানসে রবীন্দ্রনাথ নতুন ও নতুনতর প্রাণস্পন্দনের প্রতীক৷ রবীন্দ্রজয়ন্তীর সার্ধশতবর্ষ পার করেও তাই রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে আমাদের বিস্ময়ের অন্ত নেই, এখনো আমাদের জিজ্ঞাসার শেষ নেই৷ প্রাণময় তাঁর সৃষ্টির রহস্য আমাদের কাছে শেষ হয় না৷ আমরা সেই অশেষকে কবির সমগ্র সৃষ্টিলীলার সঙ্গে মিলিয়ে এখনো সন্ধান করে চলেছি ৷

রবীন্দ্রনাথকে অনুভব করা, অনুধ্যান করার কাজটি বাংলাদেশে কখনো সরলরেখা অনুসরণ করে চলেনি৷ বঙ্কিম, একপেশে ও জটিল দৃষ্টিভঙ্গিতে রবীন্দ্রনাথকে অনেক সময় দেখা হয়েছে৷ আর এ অবস্থাটি সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশ যখন পূর্ববঙ্গ বা পূর্ব পাকিস্তান ছিল তখন৷

দেশবিভাগের পর বাঙালির সাহিত্য ও সংস্কৃতির বলয়ে রবীন্দ্রনাথের অবস্থান নিয়ে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক মহলে তর্কবিতর্কের সূত্রপাত ঘটে৷ এ বিতর্ক সৃষ্টি করেন সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী দুটি ধারার বুদ্ধিজীবীগণ৷ এঁদের মধ্যে একদিকে ছিলেন বামপন্থি বুদ্ধিজীবী অন্যদিকে ছিলেন পাকিস্তানের আদর্শ ও ভাবধারার অনুসারী তথাকথিত ইসলামি তমদ্দুনপন্থি বুদ্ধিজীবী৷

বামপন্থিদের মতে রবীন্দ্ররচনা প্রগতিবিরোধী তাই তা পরিত্যাজ্য৷ আর পাকিস্তানি সংস্কৃতির বাহক বুদ্ধিজীবীর বক্তব্য- "নতুন রাষ্ট্রের স্থিতির প্রয়োজনে আমরা আমাদের সাহিত্যে নতুন জীবন ও ভাবধারার প্রকাশ খুঁজবো৷ সেই সঙ্গে এটাও সত্য যে, আমাদের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র বজায় রাখার এবং হয়তো বা জাতীয় সংহতির জন্যে যদি প্রয়োজন হয়, আমরা রবীন্দ্রনাথকেও অস্বীকার করতে প্রস্তুত রয়েছি৷" পাকিস্তানি সংস্কৃতিপন্থী বুদ্ধিজীবীদের রবীন্দ্রবিরোধিতা ধীরে ধীরে তীব্র হয়ে ওঠে৷ এক পর্যায়ে তাঁরা রবীন্দ্রনাথেরই শুধু নয়, বাংলা ভাষার অবয়বের বিপক্ষেও অবস্থান নেন৷ তাঁদের মতে যা কিছু পাকিস্তানের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তা সবই পরিত্যাজ্য৷

বামপন্থিদের রবীন্দ্রবিরোধিতা স্তিমিত হয়ে আসে৷ এক পর্যায়ে দেখা যায়, যাঁরা রবীন্দ্রনাথ ও বাংলাভাষার বিরোধিতায় লিপ্ত তাঁদেরই বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এই বামপন্থি বুদ্ধিজীবীগণ৷

বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিতর্কের প্রথম দিকে সকলেই যে রবীন্দ্রনাথের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন তা নয়৷ বেশির ভাগই ছিলেন রবীন্দ্রনাথের পক্ষে৷ প্রথম দিকে এঁদের নেতৃত্বে ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ৷ বস্তুত এঁদেরই শক্ত অবস্থানের কারণে ঢাকার সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে প্রগতিশীলতার নতুন স্রোত বইতে শুরু করে এবং তা প্রতিক্রিয়াশীলদের রুখবার জন্য প্রস্তুত হয়৷ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে এই রকম বিভিন্নমুখী, বিপরীতমুখী ভাবনাচিন্তার মাঝে চলে আসে ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিক৷ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে ওঠে প্রগতিশীল ও প্রতিক্রিয়াশীলদের মধ্যে৷ শুরু হয় প্রচণ্ড বাদানুবাদ৷

একদলের মতে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বশান্তি ও বিশ্বমানবতার কবি৷ তাই তিনি আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য৷ এই দলের নেতৃত্ব দেন বিচারপতি এস.এম মুর্শেদ, কবি বেগম সুফিয়া কামাল, খান সারওয়ার মুর্শেদ প্রমুখ৷ অন্যদল বললেন, রবীন্দ্রনাথ যেহেতু হিন্দু তাই তিনি ভারতীয় ঐতিহ্য ও সভ্যতার ধারক ও বাহক৷ অতএব তিনি পাকিস্তানী মুসলমানদের কাছে অপাংক্তেয়৷ রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবার্ষিকে, রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে এই বাদানুবাদের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশে সার্থকভাবে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করেন৷ শতবার্ষিকের অনুষ্ঠানমালা রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাটককে বহু মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে৷ রবীন্দ্রচর্চায় তৈরি হয় আগ্রহ৷ রবীন্দ্রচর্চায় পথ দেখায় বুলবুল ললিতকলা একাডেমী, ছায়ানট, ঐকতান, ক্রান্তি, সৃজনী, সন্দীপন ইত্যাদি সাংস্কৃতিক সংঘ বা সংস্থা৷ এই পরিপ্রেক্ষিতে, রবীন্দ্রনাথের বিরোধীরা তখন বলা শুরু করলেন, "রবীন্দ্রনাথের দোহাই তুলিয়া অখণ্ড বাংলার আড়ালে আমাদের তামুদ্দনিক বিপদ ডাকিয়া আনার সুযোগ দেওয়া চলিবে না৷"

তমুদ্দনপন্থিদের সুযোগ এসে গেলো ১৯৬৫-তে পাক-ভারত যুদ্ধের সময়৷ বেতার থেকে রবীন্দ্রনাথ নির্বাসিত হলেন৷ আর সরকারি ফরমান বলে ১৯৬৭-তে রবীন্দ্রনাথ বেতারে নিষিদ্ধ হলেন৷ এই সব ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ধীরে ধীরে বাঙালির আত্মপরিচয় ও স্বাধিকার আন্দোলনের হাতিয়ার হয়ে উঠলেন৷ নানান মাত্রায় রবীন্দ্রনাথকে অবলোকন করা শুরু হলো৷ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে রচিত হলো নানান প্রবন্ধ ও গবেষণা গ্রন্থ৷ প্রাবন্ধিক গবেষকদের এই সব গবেষণাকর্ম এবং সংস্কৃতিকর্মীদের রবীন্দ্রচর্চায় বাঙালির জাতিসত্তার জন্য রবীন্দ্রনাথ প্রচণ্ডভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলেন৷ বাঙালির জাতীয়তাবাদী ও স্বাধিকার আন্দোলনের দিনগুলোতে রবীন্দ্রনাথ হলেন নিত্যসঙ্গী৷ তারপর 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি' - হয়ে উঠলো মুক্তিকামী বাঙালির স্বপ্নের গান৷ বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে রবীন্দ্রনাথ এভাবেই অনিবার্যরূপে সংযুক্ত হলেন৷

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ এলেন জাতীয় সংগীত হয়ে৷ রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে বাংলাদেশের সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীদের ধ্যান ধারণা পাল্টে গেলো৷ রবীন্দ্রনাথ বাংলাদের, কি বাংলাদেশের নয়, অবসান ঘটলো এই বিতর্কের৷ অবিসংবাদিতভাবে রবীন্দ্রনাথ হয়ে উঠলেন বাংলাদেশের কবি৷ এমন কি একদিন যাঁরা ছিলেন রবীন্দ্রনাথবিরোধী, তাঁরাও হয়ে উঠলেন রবীন্দ্রপ্রেমিক৷ বিশিষ্ট এক প্রাবন্ধিক লিখেছেন :- "পাকিস্তানকালে যাঁরা পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখে কিংবা বিবৃতি দিয়ে জাতীয় স্বাতন্ত্র্যের কিংবা সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের কথা বলে রবীন্দ্রসাহিত্য ও রবীন্দ্রসংগীত বর্জনের দাবি তুলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর সকলের আগে তাঁদেরই কেউ কেউ রবীন্দ্রনাথকে মহিমান্বিত করে বই লিখেছেন৷" কিন্তু বাংলাদেশে, বিতর্ক রবীন্দ্রনাথকে পরিত্যাগ করলো না৷ বস্তুত রবীন্দ্রনাথ নিজে এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম সর্বদাই বিতর্ক পরিবেষ্টিত৷ এ বিতর্ক তাঁর জীবদ্দশাতেই শুরু, মৃত্যুর পরও বহমান৷ বাংলাদেশের স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই সাপ্তাহিক বিচিত্রা রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নতুন এক বিতর্কের অবতারণা করে – "বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান প্রেরণা ছিলেন রবীন্দ্রনাথ৷ রবীন্দ্রনাথ ছিলেন আমাদের সংগ্রামী হাতিয়ার৷ আজ স্বাধীন বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ কি আগের মতনই আমাদের সংগ্রামী প্রেরণার উৎস হতে পারবেন? নাকি তিনি ক্রমশ হারিয়ে যাবেন সংগ্রামী চৈতন্য থেকে?"

বলাবাহুল্য এ বিতর্কেও দুটি পক্ষ অংশ নেয়৷ স্বস্তির কথা, সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিতে রবীন্দ্রবর্জনের প্রয়াস এই বিতর্কে একেবারেই ওঠেনি৷ তবে এই বিতর্ক থেকে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে, রবীন্দ্রনাথকে যে নতুন মাত্রা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন, তার অপরিহার্যতা দেখা দেয়৷ এ কাজে এগিয়ে এলেন প্রাবন্ধিক ও গবেষকগণ৷ রবীন্দ্রমানসের বিচিত্র দিক উম্মোচিত হলো তাঁদের কলমের মাধ্যমে৷ তাঁদের কাজের বিষয়পরিধি থেকেই তার প্রমাণ অনেকটা পাওয়া যাবে৷ উদাহরণ হিসেবে কিছু গ্রন্থের কথা এখানে উল্লেখ করা হলো – আহমেদ হুমায়ুনের লেখা – বিপরীত স্রোতে রবীন্দ্রনাথ; আহমদ রফিকের লেখা রবীন্দ্রনাথের রাষ্ট্রচিন্তা ও বাংলাদেশ; মুহম্মদ মজিরউদ্দীনের রবীন্দ্র ছোটগল্পে সমাজ ও স্বদেশচেতনা; সৈয়দ আকরম হোসেনের রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস: চেতনালোক ও শিল্পরূপ; সনজিদা খাতুনের রবীন্দ্র সংগীতের ভাবসম্পদ; গোলাম মুরশিদের রবীন্দ্র বিশ্বে পূর্ববঙ্গ: পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রচর্চা; মঞ্জুশ্রী চৌধুরীর রবীন্দ্রনাথের রূপক সাংকেতিক নাটক; মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের মাতৃভাষার সপক্ষে রবীন্দ্রনাথ; মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের রবীন্দ্রচেতনা; আবু জাফরের রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক চিন্তাধারা ইত্যাদি৷

গতশতকের ষাটের দশকের সাম্প্রদায়িক তর্কবিতর্ক এবং স্বাধীনতা পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের প্রগতিশীলতা নিয়ে বিতর্কের বাইরে গিয়ে এই সব গ্রন্থ স্বচ্ছ দৃষ্টিতে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে রবীন্দ্রনাথকে অনুধাবন করার সুযোগ এনে দেয়৷ এ সুযোগ ছিল না পাকিস্তান আমলে৷ কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশ রবীন্দ্রনাথকে নানান অবস্থানে দাঁড় করিয়ে নিত্যই দেখিয়ে দিচ্ছে - রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের দূরের নন, কাছের মানুষ৷ পঁচাত্তরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশে পাকিস্তান আমলের মতোই সাম্প্রদায়িক মানসিকতার দ্বারা আক্রান্ত হন৷ তাঁর রচিত জাতীয় সংগীতকেও আক্রমণ করা হয়৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই অপশক্তি পুনরায় হার মানে৷

বাংলাদেশে রবীন্দ্রচর্চার অন্য এক ধারা বহমান রেখেছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ও সংস্থা৷ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের কবিতার আবৃত্তি, নৃত্যনাট্য, রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এই ধারা যথেষ্ট বেগবান৷ শুধু রাজধানী ঢাকাতেই নয়, এই ধারা লক্ষ্য করা যায় বাংলাদেশের সর্বত্র৷

এই সব সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী বা সংস্থার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ছায়ানট, রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, উদীচী, রবিরাগ, সুরের ধারা, সংগীত ভবন ইত্যাদি৷ সম্প্রতি কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রবীন্দ্র সংগীত ও রবীন্দ্র কবিতার আবৃত্তির সি.ডি. তৈরিতে অর্থ সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে৷

বাংলা একাডেমী রবীন্দ্রনাথ বিষয়ক গবেষণা ও প্রবন্ধগ্রন্থ প্রকাশ করা ছাড়াও রবীন্দ্র সংগীত ও রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান করে থাকে বিভিন্ন উপলক্ষে৷ রবীন্দ্রচর্চা প্রসারের ব্যাপারে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাও কম নয়৷ বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য প্রতিটি স্থানে রবীন্দ্রনাথের জন্ম ও মৃত্যুদিবস পালিত হয় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়৷ রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবর্ষ পালিত হয়েছিল ভীতি আর সাম্প্রদায়িক বিতর্কের পরিবেশে৷ কিন্তু সার্ধশতবর্ষ পালিত হয়েছে স্বাধীন দেশের মুক্ত পরিবেশে৷ সে অনুষ্ঠান চলেছে গোটা বছর ধরে৷ সার্ধশতবার্ষিকের আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ জানার সুযোগ পায় রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যচিন্তা, ভাষাচিন্তা, শিক্ষাচিন্তা, সমাজচিন্তা, কৃষিচিন্তা ইত্যাদি বিষয়াবলি - যেগুলো জানার প্রয়োজন ও অভিপ্রায় আমাদের সহজে শেষ হবে না৷

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা

যশোরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, চাকু উদ্ধার

কালীগঞ্জে সর্বত্র মাদকের রমরমা ব্যবসা / হুমকির মুখে যুবসমাজ, আতঙ্কে অভিভাবকরা

২০২৬-২৭ বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

দেশের ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, ২ মাসের কারাদণ্ড

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে!

আদিতমারীতে তুচ্ছ বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

X