
ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমে ৮তারিখে রোজ ডে দিয়ে শুরু, এরপর একে একে ভালোবাসা প্রকাশের দিনের সমাহার। ফেব্রুয়ারি মাসটিই যেন ভালোবাসাময় একটি মাস। প্রোপোজ ডে, চকোলেট ডে, টেডি ডে, প্রমিজ ডে, হাগ ডে, কিস ডে। টানা এক সপ্তাহ ধরে ভালোবাসা প্রকাশের উৎসব যেন। সবশেষে আসে ভ্যালেন্টাইন্স ডে।
বিশ্বজুড়ে আজ উদযাপিত হবে ভালোবাসা দিবস। প্রতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে ভ্যালেন্টাইন্স ডে উদযাপন করা হয়। সে উদযাপনে কখনোই পিছিয়ে থাকে না বাংলাদেশও। এদেশে ভালোবাসা দিবস একটি উৎসবের মতো হয়েই আসে।
শীতকালীন জুবুথুবু জীবনের শেষে জরাজীর্ণতা পেরিয়ে বসন্তের বর্ণিলতা ভালোবাসাকে অনেক বেশি রাঙিয়ে তোলে জীবনে। শুধুমাত্র প্রেমিক যুগল বা দম্পতিদের জন্যই ভালোবাসা দিবস এ ধারণাকে পেরিয়ে সবার জীবনে ভালোবাসা দিবস আসে জীবনকে আরও বেশি অর্থপূর্ণ করে তোলার বার্তা নিয়ে। তাই যে যার মতো করে ভালোবাসার প্রকাশ ঘটায় এ দিনটিতে। বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক, বন্ধু, শুভাকাক্সক্ষী প্রতিটি মানুষই গুরুত্বপূর্ণ সবার জীবনে। প্রেমিক প্রেমিকা, স্বামী স্ত্রী ছাড়াও মানুষের জীবনের সাথে জুড়ে থাকা অন্য মানুষগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তাই তাদের সবাইকেই ভালোবাসা জানানোর দিন আজ।
১৯৯৩ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ভ্যালেন্টাইন্স ডে উদযাপন করেন যায়যায়দিন সম্পাদক, বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমান। তিনি লন্ডনে ছাত্রাবস্থায় পাশ্চাত্য সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হন। দেশে তিনি তার অফিসের সামনের রাস্তার নামকরণ করেন "লাভ লেন"। তিনিই প্রথম ভালোবাসা দিবসের জন্য বাংলায় ভালোবাসা দিবস উপাধি ব্যবহার করেছিলেন। এ কারণেই তাকে "বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসের জনক" বলা হয়। অন্যবারের মতো এবারে গিফটশপে ছিল না ভীড়, নানান সজ্জায় সেজে ওঠেনি রেস্টুরেন্ট ও ফ্যাশন হাউজগুলো। প্রতি বছর নানাজনে নানাভাবে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করলেও এবারের চিত্র কিছুটা ব্যতিক্রম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ভালোবাসা দিবসে এবারে তেমন উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি না হলেও যে যার মতো করে দিবসটি ঠিকই উদযাপন করবেন এবারেও।
নির্বাচনী আবহ শেষে পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বরাবরের মতো এবারেও পদচারণা ঘটবে প্রেমিক যুগল, স্বামী স্ত্রী, পরিবার পরিজন ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের।
মন্তব্য করুন