মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যশোর পালবাড়ি নার্সিং ইনস্টিটিউট

চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না ১২ শিক্ষার্থী

আশিকুর রহমান শিমুল
প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫০ পিএম
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও শিক্ষার্থীরা । গ্রামের কাগজ

যশোর ইনস্টিটিউট অব নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কলেজে ১২ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছেনা। শিক্ষার্থীদের দাবি, তারা ফরম পূরণ করলেও বোর্ডের পরীক্ষার্থীর তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অন্যদিকে, কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, টাকা বকেয়া থাকায় ১১ জনের ফরম পূরণ হয়নি, তবে এক জনের ক্ষেত্রে ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কলেজে প্রথমবর্ষে ১৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন, দ্বিতীয় বর্ষে ৭৪ জনের মধ্যে ২ জন ও তৃতীয় বর্ষে ৭৯ জনের মধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থী আগামী বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না। বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার দিনব্যাপী কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন।

সূত্র জানায়, কলেজটি তিন বছর মেয়াদী প্রতি কোর্সে ছাত্রীদের কাছ থেকে এক লাখ ৫৮ হাজার ও ছাত্রদের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা গ্রহণ করা হয়। অধ্যায়নরত অবস্থায় কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন মেয়াদে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এই টাকা নিয়ে থাকেন। তবে বেশিরভাগ সময় শিক্ষার্থীরা প্রতি সেমিস্টার পরীক্ষার আগেই মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেন। সাধারণত, প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিন্টারের ক্ষেত্রে টাকা বকেয়া থাকলেও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এদের ক্ষেত্রে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি।

তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বিশ্বজিৎ লষ্কার জানান, এ প্রতিষ্ঠানের তার কাছে মাত্র ৮ হাজার টাকা পাবে। এছাড়া কোর্সের সকল টাকা পরিশোধ করে দিয়েছেন। ফরম পূরণের আগেও তিনি টাকা নিয়েছেন। আর বাদবাকি টাকা সার্টিফিকেটর নেয়ার সময় দেবার কথা ছিলো। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ফরম পূরণ করেনি। সোমবার প্রবেশপত্র নিতে আসলে তাকে জানানো হয়েছে, টাকাবাকি থাকায় এবছর সে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেনা। কিন্তু তার কাছে কলেজ থেকে ফোন করে কেউ বাকি টাকা চায়নি। সামান্য টাকার জন্য তার এক সেমিস্টারনষ্ট হয়ে গেলো।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হুমাইরা ও সীমা জানান, তাদের কাছে প্রতিষ্ঠান একটি টাকাও পাবেনা। কিন্তু তারপরও তাদের প্রবেশ পত্র আসেনি। প্রতিষ্ঠানের ভুলে তাদের একটি সেমিস্টার নষ্ট হয়ে গেছে। আগামী ৭ ডিসেম্বরের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ না করতে পারলে তারা কলেজের বিপক্ষে কঠোর কর্মসূচির ডাক দেবেন। তাদের কি সমস্যা জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠান প্রধান আকরাম হোসেন সদুত্তর দিতে পারনেনি।

আর অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন বলেন, ‘কারও সঙ্গে প্রতারণা করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের বকেয়া বেতন থাকায় ফরম ফিলাপ করা হয়নি। তবে, এক শিক্ষার্থীর বিষয়েত্রুটি স্বীকার করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের ভুলেই ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এস আলমের প্রভাবমুক্ত ইসলামী ব্যাংকের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

কেশবপুরে ভূমি সহকারীর বাড়িতে অজ্ঞান পার্টির হানা

একনেক সভায় ১০ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

জামায়াতের ৮.৩৯ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব

পুরুষ বন্ধুদের কাছ থেকে উপহার পেতে আনুশকার অস্বস্তি!

মণিরামপুরে নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক-১

তথ্য উপদেষ্টা / স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

পাবনায় হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ৩

রাজশাহীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ফের বাড়ল তেলের দাম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি গোলের রেকর্ডে লিওনেল মেসি

দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মৃত্যু ৪৯

X