
বলিউডের ‘ধকধক গার্ল’ মাধুরী দীক্ষিতকে পছন্দ করেন না এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া কঠিন। তার রূপ, অভিনয় দক্ষতা এবং অসাধারণ নাচের জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে আছেন। নব্বইয়ের দশকে ব্যস্ততম সময় পার করা এই অভিনেত্রী এখনো নিয়মিত অভিনয়ে যুক্ত, ফলে দুই ভিন্ন যুগের চলচ্চিত্র জগতের অভিজ্ঞতা তার ঝুলিতে রয়েছে।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ারের সঙ্গে আলাপে মাধুরী দীক্ষিত শেয়ার করেন নব্বইয়ের দশকের শুটিং অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান সময়ের পার্থক্য।
সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়—আগে আউটডোর শুটিংয়ে নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও এখনকার মতো আধুনিক সুবিধা ছিল না। জবাবে তিনি সেই সময়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, তখন শুটিং সেটে কোনো ভ্যানিটি ভ্যান বা আধুনিক আরামদায়ক ব্যবস্থা ছিল না। প্রচণ্ড গরম বা ভারী বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং চলত ছাতার নিচে বসে। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে গাড়ির ভেতরে আশ্রয় নিতে হতো। পোশাক পরিবর্তনের সময় সেটের লোকজন শাল বা কাপড় দিয়ে অস্থায়ী পর্দা তৈরি করতেন।
তার মতে, আগে অনেক কিছুই ছিল খুবই সাধারণ ও সীমিত, কিন্তু সেই পরিবেশে কাজের মধ্যে এক ধরনের স্বতঃস্ফূর্ততা ছিল।
১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক হয় মাধুরী দীক্ষিতের, যেখানে তার সহ-অভিনেতা ছিলেন বাঙালি অভিনেতা তাপস পল।
এরপর ১৯৮৮ সালে ‘তেজাব’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে নব্বইয়ের দশকের শেষ পর্যন্ত তিনি বলিউডে একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দেন।
তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘রাম লক্ষ্মণ’, ‘তেজাব’, ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন’, ‘খলনায়ক’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, এবং ‘কোয়লা’।
সর্বশেষ ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ সিনেমাতেও তাকে দেখা যায়, যা তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা আরও একবার প্রমাণ করে।
মন্তব্য করুন